
Some of you bend your backs over for a character only having their pronouns listed in the wiki or a slight little ‘fun’ nod at them possibly having their gender considered or their pronouns only being mentioned once in one line in the entire fucking game. I genuinely do not know how to tell you this but that’s not good representation.

And He said to me, “My grace suffices you, for the power is perfected in weakness.” Therefore will I boast rather most gladly in my weaknesses, so that the power of Christ may rest upon me.
— 2 Corinthians 12:9 | Berean Literal Bible (BLB)
The Berean Literal Bible © 2016 by Bible Hub and Berean Bible. All rights Reserved.
Cross References: Daniel 10:19; 1 Corinthians 2:3; 1 Corinthians 2:5; 2 Corinthians 12:1; 2 Corinthians 12:5; Ephesians 3:16; Philippians 4:13

13 I can do all this through him who gives me strength.
















আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ যাদের দায়িত্ব নিয়ে নেন
আল্লাহ তাআলা সব বান্দাকেই রহমত করেন, দয়া করেন। আল্লাহর এই দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য। আসলে আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করা ছাড়া বান্দার কোনো উপায়ও নেই। কারণ, তিনি বান্দাকে খাওয়ান, পরান, সার্বক্ষণিক হেফাজত করেন। তাঁর কোনো ঘুম নেই, বিশ্রামের প্রয়োজন হয় না। তিনি অবিরত সৃষ্টিকূলকে রহমত ও দয়া করে যাচ্ছেন। তাঁর ওপরই তো ভরসা করতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর ভরসা করো সেই জীবিত সত্ত্বার (আল্লাহর) ওপর, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করবেন না।’ (সুরা ফুরকান: ৫৮)
মহান আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা নির্ভরশীলতা মুমিনের অন্যতম গুণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘…তোমরা যদি মুমিন হয়ে থাকো, তবে আল্লাহর ওপরেই ভরসা করো।’ (সূরা মায়েদা: ২৩)
আল্লাহর ওপর ভরসাকারীদের নগদ পুরস্কার হলো- তিনিই ওই বান্দার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। বান্দার আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। ওই বান্দার জীবিকা, নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব তিনি বিশেষভাবে গ্রহণ করেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে তিনি তার জন্য বেরোনোর পথ বের করে দেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে জীবিকা দেন যা সে ভাবতেও পারে না। আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে তিনি তার জন্য যথেষ্ট হন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তার কাজ চূড়ান্তকারী। অবশ্যই আল্লাহ প্রত্যেক কাজের জন্য একটা পরিমাপ ঠিক করে রেখেছেন।’ (সুরা তালাক: ২-৩)
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন ইবরাহিম (আ.)-কে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়, তখন তিনি বলেছিলেন, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম কর্ম বিধায়ক। এ কথা তিনি বলেন, যখন তাঁকে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়।’ (বুখারি, রিয়াজুস সালেহিন: ১/৭৬)
ঈমানদারদের জন্য শিক্ষা হলো- পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক, আল্লাহর ওপরই ভরসা করতে হবে। আর তাঁর ওপর ভরসাকারীদের জন্য চিন্তার কোনো কারণ নেই। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুল (স.)-কে বলতে শুনেছি, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি যথাযথভাবে ভরসা করো, তাহলে তিনি তোমাদেরকে এমনভাবে রিজিক দান করবেন, যেমন পাখিদের দিয়ে থাকেন। তারা ভোরে খালি পেটে বের হয়ে যায় এবং দিনের শেষে ভরা পেটে ফিরে আসে।’ (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মেশকাত: ৫০৬৯)
আবু বকর (রা.) আল্লাহর রাসুল (স.)-এর সঙ্গে হিজরতের সময়কার ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, আমরা যখন গর্তে আশ্রয় নিলাম। তখন আমি নবীজি (স.)-কে বললাম, যদি কাফেররা তাদের পায়ের নিচের দিকে তাকায়, তাহলে আমাদেরকে দেখে ফেলবে। তিনি বললেন, হে আবু বকর! আপনি কি মনে করেন, তারা দু’জন? আল্লাহ তাদের তৃতীয়জন রয়েছেন।’ (বুখারি: ৩৬৫৩)
উল্লেখিত হাদিসটি আল্লাহর ওপর ভরসার সুন্দর উদাহরণ। নবীজি একেবারেই নিশ্চিত ছিলেন যে, শত্রু দেখতে পাবে না। অথচ শত্রু তখন মাথার ওপরে ছিল। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘটনাটি তুলে ধরেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তখন তিনি আপন সঙ্গীকে বললেন, বিষণ্ণ হয়ো না, আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা তাওবা: ৪০)
আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করার মানে এই নয় যে আসবাব ও উপকরণ গ্রহণ করা বৈধ। কেননা আল্লাহ তাআলা দুনিয়াকে দারুল আসবাব তথা উপকরণের কেন্দ্রবিন্দু বানিয়েছেন। তাই আসবাব বা উপকরণ গ্রহণ করতে হবে। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকজন হজ করত কিন্তু সঙ্গে পাথেয় নিয়ে আসত না। আবু মাসউদ বলেন, ইয়েমেনের কতিপয় লোক হজে যেত; কিন্তু সঙ্গে পাথেয় আনত না এবং তারা বলত যে আমরা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করেছি। অথচ মক্কায় পৌঁছার পর তারা ভিক্ষা করত। ফলে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন, ‘তোমরা হজের সফরে সঙ্গে পাথেয় নিয়ে যাবে, আর জেনে রেখো, তাকওয়াই হলো উত্তম পাথেয়। (আবু দাউদ: ১৭৩০)
হাসান বসরি (রহ.) বলেন, ‘রিজিক অন্বেষণের ক্ষেত্রে কোনো উপায়-উপকরণ অবলম্বন করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়। যেমন—কোনো যানবাহনে আরোহণ করেই গন্তব্যস্থলে কেউ নিরাপদে পৌঁছে যাবে তার নিশ্চয়তা নেই; বরং নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে।’ ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন, ‘তাওয়াক্কুল হলো ইমানের অর্ধেক। আর দ্বিতীয় অর্ধেক হলো, আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করা। কোনো কিছু পাওয়ার জন্য শরিয়ত সমর্থিত বৈধ উপায়-উপকরণ গ্রহণ করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়।’
তাই জীবনে চলার পথে আমাদের যেমন বৈধ উপায়-উপকরণ অবলম্বন করতে হবে। তেমনি আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থাও রাখতে হবে। তাহলেই মিলবে আল্লাহ তাআলার বিশেষ দয়া ও রহমত।
তাওয়াক্কুলকারীদের জন্য আখেরাতেও বিশেষ পুরস্কার রয়েছে। সহিহ বুখারির এক হাদিসে বর্ণিত আছে, তাওয়াক্কুলের পুরস্কার বিনা হিসাবে জান্নাত। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তারা হবে এমন লোক, যারা ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নেয় না, শুভ-অশুভ মানে না এবং তাদের প্রতিপালকের ওপরই ভরসা রাখে। (বুখারি: ৬৪৭২)
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবসময় সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার তাওফিক দান করুন। আামিন।
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
Allah is sufficient as the Responsible.
#Tawakkul #Responsible
#Sufficient #Trust
#আল্লাহ #দায়িত্বশীল #যথেষ্ট #তাওয়াক্কুল #ভরসা
Allah is sufficient as the Responsible.
#AllaIsSufficient #Responsible #Sufficient
#আল্লাহ #দায়িত্বশীল #যথেষ্ট
#আল্লাহদায়িত্বশীলহিসেবেযথেষ্ট
#দায়িত্বশীলহিসেবেআল্লাহইযথেষ্ট
















আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ যাদের দায়িত্ব নিয়ে নেন
আল্লাহ তাআলা সব বান্দাকেই রহমত করেন, দয়া করেন। আল্লাহর এই দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য। আসলে আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করা ছাড়া বান্দার কোনো উপায়ও নেই। কারণ, তিনি বান্দাকে খাওয়ান, পরান, সার্বক্ষণিক হেফাজত করেন। তাঁর কোনো ঘুম নেই, বিশ্রামের প্রয়োজন হয় না। তিনি অবিরত সৃষ্টিকূলকে রহমত ও দয়া করে যাচ্ছেন। তাঁর ওপরই তো ভরসা করতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর ভরসা করো সেই জীবিত সত্ত্বার (আল্লাহর) ওপর, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করবেন না।’ (সুরা ফুরকান: ৫৮)
মহান আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা নির্ভরশীলতা মুমিনের অন্যতম গুণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘…তোমরা যদি মুমিন হয়ে থাকো, তবে আল্লাহর ওপরেই ভরসা করো।’ (সূরা মায়েদা: ২৩)
আল্লাহর ওপর ভরসাকারীদের নগদ পুরস্কার হলো- তিনিই ওই বান্দার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। বান্দার আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। ওই বান্দার জীবিকা, নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব তিনি বিশেষভাবে গ্রহণ করেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে তিনি তার জন্য বেরোনোর পথ বের করে দেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে জীবিকা দেন যা সে ভাবতেও পারে না। আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে তিনি তার জন্য যথেষ্ট হন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তার কাজ চূড়ান্তকারী। অবশ্যই আল্লাহ প্রত্যেক কাজের জন্য একটা পরিমাপ ঠিক করে রেখেছেন।’ (সুরা তালাক: ২-৩)
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন ইবরাহিম (আ.)-কে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়, তখন তিনি বলেছিলেন, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম কর্ম বিধায়ক। এ কথা তিনি বলেন, যখন তাঁকে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়।’ (বুখারি, রিয়াজুস সালেহিন: ১/৭৬)
ঈমানদারদের জন্য শিক্ষা হলো- পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক, আল্লাহর ওপরই ভরসা করতে হবে। আর তাঁর ওপর ভরসাকারীদের জন্য চিন্তার কোনো কারণ নেই। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুল (স.)-কে বলতে শুনেছি, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি যথাযথভাবে ভরসা করো, তাহলে তিনি তোমাদেরকে এমনভাবে রিজিক দান করবেন, যেমন পাখিদের দিয়ে থাকেন। তারা ভোরে খালি পেটে বের হয়ে যায় এবং দিনের শেষে ভরা পেটে ফিরে আসে।’ (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মেশকাত: ৫০৬৯)
আবু বকর (রা.) আল্লাহর রাসুল (স.)-এর সঙ্গে হিজরতের সময়কার ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, আমরা যখন গর্তে আশ্রয় নিলাম। তখন আমি নবীজি (স.)-কে বললাম, যদি কাফেররা তাদের পায়ের নিচের দিকে তাকায়, তাহলে আমাদেরকে দেখে ফেলবে। তিনি বললেন, হে আবু বকর! আপনি কি মনে করেন, তারা দু’জন? আল্লাহ তাদের তৃতীয়জন রয়েছেন।’ (বুখারি: ৩৬৫৩)
উল্লেখিত হাদিসটি আল্লাহর ওপর ভরসার সুন্দর উদাহরণ। নবীজি একেবারেই নিশ্চিত ছিলেন যে, শত্রু দেখতে পাবে না। অথচ শত্রু তখন মাথার ওপরে ছিল। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘটনাটি তুলে ধরেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তখন তিনি আপন সঙ্গীকে বললেন, বিষণ্ণ হয়ো না, আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা তাওবা: ৪০)
আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করার মানে এই নয় যে আসবাব ও উপকরণ গ্রহণ করা বৈধ। কেননা আল্লাহ তাআলা দুনিয়াকে দারুল আসবাব তথা উপকরণের কেন্দ্রবিন্দু বানিয়েছেন। তাই আসবাব বা উপকরণ গ্রহণ করতে হবে। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকজন হজ করত কিন্তু সঙ্গে পাথেয় নিয়ে আসত না। আবু মাসউদ বলেন, ইয়েমেনের কতিপয় লোক হজে যেত; কিন্তু সঙ্গে পাথেয় আনত না এবং তারা বলত যে আমরা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করেছি। অথচ মক্কায় পৌঁছার পর তারা ভিক্ষা করত। ফলে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন, ‘তোমরা হজের সফরে সঙ্গে পাথেয় নিয়ে যাবে, আর জেনে রেখো, তাকওয়াই হলো উত্তম পাথেয়। (আবু দাউদ: ১৭৩০)
হাসান বসরি (রহ.) বলেন, ‘রিজিক অন্বেষণের ক্ষেত্রে কোনো উপায়-উপকরণ অবলম্বন করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়। যেমন—কোনো যানবাহনে আরোহণ করেই গন্তব্যস্থলে কেউ নিরাপদে পৌঁছে যাবে তার নিশ্চয়তা নেই; বরং নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে।’ ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন, ‘তাওয়াক্কুল হলো ইমানের অর্ধেক। আর দ্বিতীয় অর্ধেক হলো, আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করা। কোনো কিছু পাওয়ার জন্য শরিয়ত সমর্থিত বৈধ উপায়-উপকরণ গ্রহণ করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়।’
তাই জীবনে চলার পথে আমাদের যেমন বৈধ উপায়-উপকরণ অবলম্বন করতে হবে। তেমনি আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থাও রাখতে হবে। তাহলেই মিলবে আল্লাহ তাআলার বিশেষ দয়া ও রহমত।
তাওয়াক্কুলকারীদের জন্য আখেরাতেও বিশেষ পুরস্কার রয়েছে। সহিহ বুখারির এক হাদিসে বর্ণিত আছে, তাওয়াক্কুলের পুরস্কার বিনা হিসাবে জান্নাত। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তারা হবে এমন লোক, যারা ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নেয় না, শুভ-অশুভ মানে না এবং তাদের প্রতিপালকের ওপরই ভরসা রাখে। (বুখারি: ৬৪৭২)
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবসময় সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার তাওফিক দান করুন। আামিন।
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
Allah is sufficient as the Responsible.
















আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ যাদের দায়িত্ব নিয়ে নেন
আল্লাহ তাআলা সব বান্দাকেই রহমত করেন, দয়া করেন। আল্লাহর এই দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য। আসলে আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করা ছাড়া বান্দার কোনো উপায়ও নেই। কারণ, তিনি বান্দাকে খাওয়ান, পরান, সার্বক্ষণিক হেফাজত করেন। তাঁর কোনো ঘুম নেই, বিশ্রামের প্রয়োজন হয় না। তিনি অবিরত সৃষ্টিকূলকে রহমত ও দয়া করে যাচ্ছেন। তাঁর ওপরই তো ভরসা করতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর ভরসা করো সেই জীবিত সত্ত্বার (আল্লাহর) ওপর, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করবেন না।’ (সুরা ফুরকান: ৫৮)
মহান আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা নির্ভরশীলতা মুমিনের অন্যতম গুণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘…তোমরা যদি মুমিন হয়ে থাকো, তবে আল্লাহর ওপরেই ভরসা করো।’ (সূরা মায়েদা: ২৩)
আল্লাহর ওপর ভরসাকারীদের নগদ পুরস্কার হলো- তিনিই ওই বান্দার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। বান্দার আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। ওই বান্দার জীবিকা, নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব তিনি বিশেষভাবে গ্রহণ করেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে তিনি তার জন্য বেরোনোর পথ বের করে দেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে জীবিকা দেন যা সে ভাবতেও পারে না। আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে তিনি তার জন্য যথেষ্ট হন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তার কাজ চূড়ান্তকারী। অবশ্যই আল্লাহ প্রত্যেক কাজের জন্য একটা পরিমাপ ঠিক করে রেখেছেন।’ (সুরা তালাক: ২-৩)
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন ইবরাহিম (আ.)-কে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়, তখন তিনি বলেছিলেন, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম কর্ম বিধায়ক। এ কথা তিনি বলেন, যখন তাঁকে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়।’ (বুখারি, রিয়াজুস সালেহিন: ১/৭৬)
ঈমানদারদের জন্য শিক্ষা হলো- পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক, আল্লাহর ওপরই ভরসা করতে হবে। আর তাঁর ওপর ভরসাকারীদের জন্য চিন্তার কোনো কারণ নেই। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুল (স.)-কে বলতে শুনেছি, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি যথাযথভাবে ভরসা করো, তাহলে তিনি তোমাদেরকে এমনভাবে রিজিক দান করবেন, যেমন পাখিদের দিয়ে থাকেন। তারা ভোরে খালি পেটে বের হয়ে যায় এবং দিনের শেষে ভরা পেটে ফিরে আসে।’ (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মেশকাত: ৫০৬৯)
আবু বকর (রা.) আল্লাহর রাসুল (স.)-এর সঙ্গে হিজরতের সময়কার ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, আমরা যখন গর্তে আশ্রয় নিলাম। তখন আমি নবীজি (স.)-কে বললাম, যদি কাফেররা তাদের পায়ের নিচের দিকে তাকায়, তাহলে আমাদেরকে দেখে ফেলবে। তিনি বললেন, হে আবু বকর! আপনি কি মনে করেন, তারা দু’জন? আল্লাহ তাদের তৃতীয়জন রয়েছেন।’ (বুখারি: ৩৬৫৩)
উল্লেখিত হাদিসটি আল্লাহর ওপর ভরসার সুন্দর উদাহরণ। নবীজি একেবারেই নিশ্চিত ছিলেন যে, শত্রু দেখতে পাবে না। অথচ শত্রু তখন মাথার ওপরে ছিল। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘটনাটি তুলে ধরেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তখন তিনি আপন সঙ্গীকে বললেন, বিষণ্ণ হয়ো না, আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা তাওবা: ৪০)
আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করার মানে এই নয় যে আসবাব ও উপকরণ গ্রহণ করা বৈধ। কেননা আল্লাহ তাআলা দুনিয়াকে দারুল আসবাব তথা উপকরণের কেন্দ্রবিন্দু বানিয়েছেন। তাই আসবাব বা উপকরণ গ্রহণ করতে হবে। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকজন হজ করত কিন্তু সঙ্গে পাথেয় নিয়ে আসত না। আবু মাসউদ বলেন, ইয়েমেনের কতিপয় লোক হজে যেত; কিন্তু সঙ্গে পাথেয় আনত না এবং তারা বলত যে আমরা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করেছি। অথচ মক্কায় পৌঁছার পর তারা ভিক্ষা করত। ফলে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন, ‘তোমরা হজের সফরে সঙ্গে পাথেয় নিয়ে যাবে, আর জেনে রেখো, তাকওয়াই হলো উত্তম পাথেয়। (আবু দাউদ: ১৭৩০)
হাসান বসরি (রহ.) বলেন, ‘রিজিক অন্বেষণের ক্ষেত্রে কোনো উপায়-উপকরণ অবলম্বন করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়। যেমন—কোনো যানবাহনে আরোহণ করেই গন্তব্যস্থলে কেউ নিরাপদে পৌঁছে যাবে তার নিশ্চয়তা নেই; বরং নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে।’ ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন, ‘তাওয়াক্কুল হলো ইমানের অর্ধেক। আর দ্বিতীয় অর্ধেক হলো, আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করা। কোনো কিছু পাওয়ার জন্য শরিয়ত সমর্থিত বৈধ উপায়-উপকরণ গ্রহণ করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়।’
তাই জীবনে চলার পথে আমাদের যেমন বৈধ উপায়-উপকরণ অবলম্বন করতে হবে। তেমনি আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থাও রাখতে হবে। তাহলেই মিলবে আল্লাহ তাআলার বিশেষ দয়া ও রহমত।
তাওয়াক্কুলকারীদের জন্য আখেরাতেও বিশেষ পুরস্কার রয়েছে। সহিহ বুখারির এক হাদিসে বর্ণিত আছে, তাওয়াক্কুলের পুরস্কার বিনা হিসাবে জান্নাত। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তারা হবে এমন লোক, যারা ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নেয় না, শুভ-অশুভ মানে না এবং তাদের প্রতিপালকের ওপরই ভরসা রাখে। (বুখারি: ৬৪৭২)
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবসময় সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার তাওফিক দান করুন। আামিন।
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
Allah is sufficient as the Responsible.
















আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ যাদের দায়িত্ব নিয়ে নেন
আল্লাহ তাআলা সব বান্দাকেই রহমত করেন, দয়া করেন। আল্লাহর এই দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য। আসলে আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করা ছাড়া বান্দার কোনো উপায়ও নেই। কারণ, তিনি বান্দাকে খাওয়ান, পরান, সার্বক্ষণিক হেফাজত করেন। তাঁর কোনো ঘুম নেই, বিশ্রামের প্রয়োজন হয় না। তিনি অবিরত সৃষ্টিকূলকে রহমত ও দয়া করে যাচ্ছেন। তাঁর ওপরই তো ভরসা করতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর ভরসা করো সেই জীবিত সত্ত্বার (আল্লাহর) ওপর, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করবেন না।’ (সুরা ফুরকান: ৫৮)
মহান আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা নির্ভরশীলতা মুমিনের অন্যতম গুণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘…তোমরা যদি মুমিন হয়ে থাকো, তবে আল্লাহর ওপরেই ভরসা করো।’ (সূরা মায়েদা: ২৩)
আল্লাহর ওপর ভরসাকারীদের নগদ পুরস্কার হলো- তিনিই ওই বান্দার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। বান্দার আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। ওই বান্দার জীবিকা, নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব তিনি বিশেষভাবে গ্রহণ করেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে তিনি তার জন্য বেরোনোর পথ বের করে দেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে জীবিকা দেন যা সে ভাবতেও পারে না। আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে তিনি তার জন্য যথেষ্ট হন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তার কাজ চূড়ান্তকারী। অবশ্যই আল্লাহ প্রত্যেক কাজের জন্য একটা পরিমাপ ঠিক করে রেখেছেন।’ (সুরা তালাক: ২-৩)
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন ইবরাহিম (আ.)-কে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়, তখন তিনি বলেছিলেন, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম কর্ম বিধায়ক। এ কথা তিনি বলেন, যখন তাঁকে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়।’ (বুখারি, রিয়াজুস সালেহিন: ১/৭৬)
ঈমানদারদের জন্য শিক্ষা হলো- পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক, আল্লাহর ওপরই ভরসা করতে হবে। আর তাঁর ওপর ভরসাকারীদের জন্য চিন্তার কোনো কারণ নেই। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুল (স.)-কে বলতে শুনেছি, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি যথাযথভাবে ভরসা করো, তাহলে তিনি তোমাদেরকে এমনভাবে রিজিক দান করবেন, যেমন পাখিদের দিয়ে থাকেন। তারা ভোরে খালি পেটে বের হয়ে যায় এবং দিনের শেষে ভরা পেটে ফিরে আসে।’ (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মেশকাত: ৫০৬৯)
আবু বকর (রা.) আল্লাহর রাসুল (স.)-এর সঙ্গে হিজরতের সময়কার ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, আমরা যখন গর্তে আশ্রয় নিলাম। তখন আমি নবীজি (স.)-কে বললাম, যদি কাফেররা তাদের পায়ের নিচের দিকে তাকায়, তাহলে আমাদেরকে দেখে ফেলবে। তিনি বললেন, হে আবু বকর! আপনি কি মনে করেন, তারা দু’জন? আল্লাহ তাদের তৃতীয়জন রয়েছেন।’ (বুখারি: ৩৬৫৩)
উল্লেখিত হাদিসটি আল্লাহর ওপর ভরসার সুন্দর উদাহরণ। নবীজি একেবারেই নিশ্চিত ছিলেন যে, শত্রু দেখতে পাবে না। অথচ শত্রু তখন মাথার ওপরে ছিল। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘটনাটি তুলে ধরেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তখন তিনি আপন সঙ্গীকে বললেন, বিষণ্ণ হয়ো না, আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা তাওবা: ৪০)
আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করার মানে এই নয় যে আসবাব ও উপকরণ গ্রহণ করা বৈধ। কেননা আল্লাহ তাআলা দুনিয়াকে দারুল আসবাব তথা উপকরণের কেন্দ্রবিন্দু বানিয়েছেন। তাই আসবাব বা উপকরণ গ্রহণ করতে হবে। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকজন হজ করত কিন্তু সঙ্গে পাথেয় নিয়ে আসত না। আবু মাসউদ বলেন, ইয়েমেনের কতিপয় লোক হজে যেত; কিন্তু সঙ্গে পাথেয় আনত না এবং তারা বলত যে আমরা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করেছি। অথচ মক্কায় পৌঁছার পর তারা ভিক্ষা করত। ফলে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন, ‘তোমরা হজের সফরে সঙ্গে পাথেয় নিয়ে যাবে, আর জেনে রেখো, তাকওয়াই হলো উত্তম পাথেয়। (আবু দাউদ: ১৭৩০)
হাসান বসরি (রহ.) বলেন, ‘রিজিক অন্বেষণের ক্ষেত্রে কোনো উপায়-উপকরণ অবলম্বন করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়। যেমন—কোনো যানবাহনে আরোহণ করেই গন্তব্যস্থলে কেউ নিরাপদে পৌঁছে যাবে তার নিশ্চয়তা নেই; বরং নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে।’ ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন, ‘তাওয়াক্কুল হলো ইমানের অর্ধেক। আর দ্বিতীয় অর্ধেক হলো, আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করা। কোনো কিছু পাওয়ার জন্য শরিয়ত সমর্থিত বৈধ উপায়-উপকরণ গ্রহণ করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়।’
তাই জীবনে চলার পথে আমাদের যেমন বৈধ উপায়-উপকরণ অবলম্বন করতে হবে। তেমনি আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থাও রাখতে হবে। তাহলেই মিলবে আল্লাহ তাআলার বিশেষ দয়া ও রহমত।
তাওয়াক্কুলকারীদের জন্য আখেরাতেও বিশেষ পুরস্কার রয়েছে। সহিহ বুখারির এক হাদিসে বর্ণিত আছে, তাওয়াক্কুলের পুরস্কার বিনা হিসাবে জান্নাত। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তারা হবে এমন লোক, যারা ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নেয় না, শুভ-অশুভ মানে না এবং তাদের প্রতিপালকের ওপরই ভরসা রাখে। (বুখারি: ৬৪৭২)
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবসময় সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার তাওফিক দান করুন। আামিন।
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
Allah is sufficient as the Responsible.
















আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ যাদের দায়িত্ব নিয়ে নেন
আল্লাহ তাআলা সব বান্দাকেই রহমত করেন, দয়া করেন। আল্লাহর এই দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য। আসলে আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করা ছাড়া বান্দার কোনো উপায়ও নেই। কারণ, তিনি বান্দাকে খাওয়ান, পরান, সার্বক্ষণিক হেফাজত করেন। তাঁর কোনো ঘুম নেই, বিশ্রামের প্রয়োজন হয় না। তিনি অবিরত সৃষ্টিকূলকে রহমত ও দয়া করে যাচ্ছেন। তাঁর ওপরই তো ভরসা করতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর ভরসা করো সেই জীবিত সত্ত্বার (আল্লাহর) ওপর, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করবেন না।’ (সুরা ফুরকান: ৫৮)
মহান আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা নির্ভরশীলতা মুমিনের অন্যতম গুণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘…তোমরা যদি মুমিন হয়ে থাকো, তবে আল্লাহর ওপরেই ভরসা করো।’ (সূরা মায়েদা: ২৩)
আল্লাহর ওপর ভরসাকারীদের নগদ পুরস্কার হলো- তিনিই ওই বান্দার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। বান্দার আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। ওই বান্দার জীবিকা, নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব তিনি বিশেষভাবে গ্রহণ করেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে তিনি তার জন্য বেরোনোর পথ বের করে দেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে জীবিকা দেন যা সে ভাবতেও পারে না। আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে তিনি তার জন্য যথেষ্ট হন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তার কাজ চূড়ান্তকারী। অবশ্যই আল্লাহ প্রত্যেক কাজের জন্য একটা পরিমাপ ঠিক করে রেখেছেন।’ (সুরা তালাক: ২-৩)
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন ইবরাহিম (আ.)-কে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়, তখন তিনি বলেছিলেন, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম কর্ম বিধায়ক। এ কথা তিনি বলেন, যখন তাঁকে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়।’ (বুখারি, রিয়াজুস সালেহিন: ১/৭৬)
ঈমানদারদের জন্য শিক্ষা হলো- পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক, আল্লাহর ওপরই ভরসা করতে হবে। আর তাঁর ওপর ভরসাকারীদের জন্য চিন্তার কোনো কারণ নেই। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুল (স.)-কে বলতে শুনেছি, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি যথাযথভাবে ভরসা করো, তাহলে তিনি তোমাদেরকে এমনভাবে রিজিক দান করবেন, যেমন পাখিদের দিয়ে থাকেন। তারা ভোরে খালি পেটে বের হয়ে যায় এবং দিনের শেষে ভরা পেটে ফিরে আসে।’ (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মেশকাত: ৫০৬৯)
আবু বকর (রা.) আল্লাহর রাসুল (স.)-এর সঙ্গে হিজরতের সময়কার ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, আমরা যখন গর্তে আশ্রয় নিলাম। তখন আমি নবীজি (স.)-কে বললাম, যদি কাফেররা তাদের পায়ের নিচের দিকে তাকায়, তাহলে আমাদেরকে দেখে ফেলবে। তিনি বললেন, হে আবু বকর! আপনি কি মনে করেন, তারা দু’জন? আল্লাহ তাদের তৃতীয়জন রয়েছেন।’ (বুখারি: ৩৬৫৩)
উল্লেখিত হাদিসটি আল্লাহর ওপর ভরসার সুন্দর উদাহরণ। নবীজি একেবারেই নিশ্চিত ছিলেন যে, শত্রু দেখতে পাবে না। অথচ শত্রু তখন মাথার ওপরে ছিল। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘটনাটি তুলে ধরেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তখন তিনি আপন সঙ্গীকে বললেন, বিষণ্ণ হয়ো না, আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা তাওবা: ৪০)
আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করার মানে এই নয় যে আসবাব ও উপকরণ গ্রহণ করা বৈধ। কেননা আল্লাহ তাআলা দুনিয়াকে দারুল আসবাব তথা উপকরণের কেন্দ্রবিন্দু বানিয়েছেন। তাই আসবাব বা উপকরণ গ্রহণ করতে হবে। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকজন হজ করত কিন্তু সঙ্গে পাথেয় নিয়ে আসত না। আবু মাসউদ বলেন, ইয়েমেনের কতিপয় লোক হজে যেত; কিন্তু সঙ্গে পাথেয় আনত না এবং তারা বলত যে আমরা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করেছি। অথচ মক্কায় পৌঁছার পর তারা ভিক্ষা করত। ফলে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন, ‘তোমরা হজের সফরে সঙ্গে পাথেয় নিয়ে যাবে, আর জেনে রেখো, তাকওয়াই হলো উত্তম পাথেয়। (আবু দাউদ: ১৭৩০)
হাসান বসরি (রহ.) বলেন, ‘রিজিক অন্বেষণের ক্ষেত্রে কোনো উপায়-উপকরণ অবলম্বন করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়। যেমন—কোনো যানবাহনে আরোহণ করেই গন্তব্যস্থলে কেউ নিরাপদে পৌঁছে যাবে তার নিশ্চয়তা নেই; বরং নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে।’ ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন, ‘তাওয়াক্কুল হলো ইমানের অর্ধেক। আর দ্বিতীয় অর্ধেক হলো, আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করা। কোনো কিছু পাওয়ার জন্য শরিয়ত সমর্থিত বৈধ উপায়-উপকরণ গ্রহণ করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়।’
তাই জীবনে চলার পথে আমাদের যেমন বৈধ উপায়-উপকরণ অবলম্বন করতে হবে। তেমনি আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থাও রাখতে হবে। তাহলেই মিলবে আল্লাহ তাআলার বিশেষ দয়া ও রহমত।
তাওয়াক্কুলকারীদের জন্য আখেরাতেও বিশেষ পুরস্কার রয়েছে। সহিহ বুখারির এক হাদিসে বর্ণিত আছে, তাওয়াক্কুলের পুরস্কার বিনা হিসাবে জান্নাত। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তারা হবে এমন লোক, যারা ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নেয় না, শুভ-অশুভ মানে না এবং তাদের প্রতিপালকের ওপরই ভরসা রাখে। (বুখারি: ৬৪৭২)
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবসময় সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার তাওফিক দান করুন। আামিন।
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
Allah is sufficient as the Responsible.
















আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ যাদের দায়িত্ব নিয়ে নেন
আল্লাহ তাআলা সব বান্দাকেই রহমত করেন, দয়া করেন। আল্লাহর এই দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য। আসলে আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করা ছাড়া বান্দার কোনো উপায়ও নেই। কারণ, তিনি বান্দাকে খাওয়ান, পরান, সার্বক্ষণিক হেফাজত করেন। তাঁর কোনো ঘুম নেই, বিশ্রামের প্রয়োজন হয় না। তিনি অবিরত সৃষ্টিকূলকে রহমত ও দয়া করে যাচ্ছেন। তাঁর ওপরই তো ভরসা করতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর ভরসা করো সেই জীবিত সত্ত্বার (আল্লাহর) ওপর, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করবেন না।’ (সুরা ফুরকান: ৫৮)
মহান আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা নির্ভরশীলতা মুমিনের অন্যতম গুণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘…তোমরা যদি মুমিন হয়ে থাকো, তবে আল্লাহর ওপরেই ভরসা করো।’ (সূরা মায়েদা: ২৩)
আল্লাহর ওপর ভরসাকারীদের নগদ পুরস্কার হলো- তিনিই ওই বান্দার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। বান্দার আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। ওই বান্দার জীবিকা, নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব তিনি বিশেষভাবে গ্রহণ করেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে তিনি তার জন্য বেরোনোর পথ বের করে দেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে জীবিকা দেন যা সে ভাবতেও পারে না। আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে তিনি তার জন্য যথেষ্ট হন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তার কাজ চূড়ান্তকারী। অবশ্যই আল্লাহ প্রত্যেক কাজের জন্য একটা পরিমাপ ঠিক করে রেখেছেন।’ (সুরা তালাক: ২-৩)
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন ইবরাহিম (আ.)-কে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়, তখন তিনি বলেছিলেন, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম কর্ম বিধায়ক। এ কথা তিনি বলেন, যখন তাঁকে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়।’ (বুখারি, রিয়াজুস সালেহিন: ১/৭৬)
ঈমানদারদের জন্য শিক্ষা হলো- পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক, আল্লাহর ওপরই ভরসা করতে হবে। আর তাঁর ওপর ভরসাকারীদের জন্য চিন্তার কোনো কারণ নেই। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুল (স.)-কে বলতে শুনেছি, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি যথাযথভাবে ভরসা করো, তাহলে তিনি তোমাদেরকে এমনভাবে রিজিক দান করবেন, যেমন পাখিদের দিয়ে থাকেন। তারা ভোরে খালি পেটে বের হয়ে যায় এবং দিনের শেষে ভরা পেটে ফিরে আসে।’ (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মেশকাত: ৫০৬৯)
আবু বকর (রা.) আল্লাহর রাসুল (স.)-এর সঙ্গে হিজরতের সময়কার ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, আমরা যখন গর্তে আশ্রয় নিলাম। তখন আমি নবীজি (স.)-কে বললাম, যদি কাফেররা তাদের পায়ের নিচের দিকে তাকায়, তাহলে আমাদেরকে দেখে ফেলবে। তিনি বললেন, হে আবু বকর! আপনি কি মনে করেন, তারা দু’জন? আল্লাহ তাদের তৃতীয়জন রয়েছেন।’ (বুখারি: ৩৬৫৩)
উল্লেখিত হাদিসটি আল্লাহর ওপর ভরসার সুন্দর উদাহরণ। নবীজি একেবারেই নিশ্চিত ছিলেন যে, শত্রু দেখতে পাবে না। অথচ শত্রু তখন মাথার ওপরে ছিল। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘটনাটি তুলে ধরেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তখন তিনি আপন সঙ্গীকে বললেন, বিষণ্ণ হয়ো না, আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা তাওবা: ৪০)
আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করার মানে এই নয় যে আসবাব ও উপকরণ গ্রহণ করা বৈধ। কেননা আল্লাহ তাআলা দুনিয়াকে দারুল আসবাব তথা উপকরণের কেন্দ্রবিন্দু বানিয়েছেন। তাই আসবাব বা উপকরণ গ্রহণ করতে হবে। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকজন হজ করত কিন্তু সঙ্গে পাথেয় নিয়ে আসত না। আবু মাসউদ বলেন, ইয়েমেনের কতিপয় লোক হজে যেত; কিন্তু সঙ্গে পাথেয় আনত না এবং তারা বলত যে আমরা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করেছি। অথচ মক্কায় পৌঁছার পর তারা ভিক্ষা করত। ফলে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন, ‘তোমরা হজের সফরে সঙ্গে পাথেয় নিয়ে যাবে, আর জেনে রেখো, তাকওয়াই হলো উত্তম পাথেয়। (আবু দাউদ: ১৭৩০)
হাসান বসরি (রহ.) বলেন, ‘রিজিক অন্বেষণের ক্ষেত্রে কোনো উপায়-উপকরণ অবলম্বন করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়। যেমন—কোনো যানবাহনে আরোহণ করেই গন্তব্যস্থলে কেউ নিরাপদে পৌঁছে যাবে তার নিশ্চয়তা নেই; বরং নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে।’ ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন, ‘তাওয়াক্কুল হলো ইমানের অর্ধেক। আর দ্বিতীয় অর্ধেক হলো, আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করা। কোনো কিছু পাওয়ার জন্য শরিয়ত সমর্থিত বৈধ উপায়-উপকরণ গ্রহণ করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়।’
তাই জীবনে চলার পথে আমাদের যেমন বৈধ উপায়-উপকরণ অবলম্বন করতে হবে। তেমনি আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থাও রাখতে হবে। তাহলেই মিলবে আল্লাহ তাআলার বিশেষ দয়া ও রহমত।
তাওয়াক্কুলকারীদের জন্য আখেরাতেও বিশেষ পুরস্কার রয়েছে। সহিহ বুখারির এক হাদিসে বর্ণিত আছে, তাওয়াক্কুলের পুরস্কার বিনা হিসাবে জান্নাত। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তারা হবে এমন লোক, যারা ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নেয় না, শুভ-অশুভ মানে না এবং তাদের প্রতিপালকের ওপরই ভরসা রাখে। (বুখারি: ৬৪৭২)
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবসময় সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার তাওফিক দান করুন। আামিন।
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
Allah is sufficient as the Responsible.
















আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ যাদের দায়িত্ব নিয়ে নেন
আল্লাহ তাআলা সব বান্দাকেই রহমত করেন, দয়া করেন। আল্লাহর এই দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য। আসলে আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করা ছাড়া বান্দার কোনো উপায়ও নেই। কারণ, তিনি বান্দাকে খাওয়ান, পরান, সার্বক্ষণিক হেফাজত করেন। তাঁর কোনো ঘুম নেই, বিশ্রামের প্রয়োজন হয় না। তিনি অবিরত সৃষ্টিকূলকে রহমত ও দয়া করে যাচ্ছেন। তাঁর ওপরই তো ভরসা করতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর ভরসা করো সেই জীবিত সত্ত্বার (আল্লাহর) ওপর, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করবেন না।’ (সুরা ফুরকান: ৫৮)
মহান আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা নির্ভরশীলতা মুমিনের অন্যতম গুণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘…তোমরা যদি মুমিন হয়ে থাকো, তবে আল্লাহর ওপরেই ভরসা করো।’ (সূরা মায়েদা: ২৩)
আল্লাহর ওপর ভরসাকারীদের নগদ পুরস্কার হলো- তিনিই ওই বান্দার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। বান্দার আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। ওই বান্দার জীবিকা, নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব তিনি বিশেষভাবে গ্রহণ করেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে তিনি তার জন্য বেরোনোর পথ বের করে দেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে জীবিকা দেন যা সে ভাবতেও পারে না। আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে তিনি তার জন্য যথেষ্ট হন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তার কাজ চূড়ান্তকারী। অবশ্যই আল্লাহ প্রত্যেক কাজের জন্য একটা পরিমাপ ঠিক করে রেখেছেন।’ (সুরা তালাক: ২-৩)
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন ইবরাহিম (আ.)-কে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়, তখন তিনি বলেছিলেন, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম কর্ম বিধায়ক। এ কথা তিনি বলেন, যখন তাঁকে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়।’ (বুখারি, রিয়াজুস সালেহিন: ১/৭৬)
ঈমানদারদের জন্য শিক্ষা হলো- পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক, আল্লাহর ওপরই ভরসা করতে হবে। আর তাঁর ওপর ভরসাকারীদের জন্য চিন্তার কোনো কারণ নেই। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুল (স.)-কে বলতে শুনেছি, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি যথাযথভাবে ভরসা করো, তাহলে তিনি তোমাদেরকে এমনভাবে রিজিক দান করবেন, যেমন পাখিদের দিয়ে থাকেন। তারা ভোরে খালি পেটে বের হয়ে যায় এবং দিনের শেষে ভরা পেটে ফিরে আসে।’ (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মেশকাত: ৫০৬৯)
আবু বকর (রা.) আল্লাহর রাসুল (স.)-এর সঙ্গে হিজরতের সময়কার ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, আমরা যখন গর্তে আশ্রয় নিলাম। তখন আমি নবীজি (স.)-কে বললাম, যদি কাফেররা তাদের পায়ের নিচের দিকে তাকায়, তাহলে আমাদেরকে দেখে ফেলবে। তিনি বললেন, হে আবু বকর! আপনি কি মনে করেন, তারা দু’জন? আল্লাহ তাদের তৃতীয়জন রয়েছেন।’ (বুখারি: ৩৬৫৩)
উল্লেখিত হাদিসটি আল্লাহর ওপর ভরসার সুন্দর উদাহরণ। নবীজি একেবারেই নিশ্চিত ছিলেন যে, শত্রু দেখতে পাবে না। অথচ শত্রু তখন মাথার ওপরে ছিল। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘটনাটি তুলে ধরেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তখন তিনি আপন সঙ্গীকে বললেন, বিষণ্ণ হয়ো না, আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা তাওবা: ৪০)
আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা করার মানে এই নয় যে আসবাব ও উপকরণ গ্রহণ করা বৈধ। কেননা আল্লাহ তাআলা দুনিয়াকে দারুল আসবাব তথা উপকরণের কেন্দ্রবিন্দু বানিয়েছেন। তাই আসবাব বা উপকরণ গ্রহণ করতে হবে। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকজন হজ করত কিন্তু সঙ্গে পাথেয় নিয়ে আসত না। আবু মাসউদ বলেন, ইয়েমেনের কতিপয় লোক হজে যেত; কিন্তু সঙ্গে পাথেয় আনত না এবং তারা বলত যে আমরা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করেছি। অথচ মক্কায় পৌঁছার পর তারা ভিক্ষা করত। ফলে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন, ‘তোমরা হজের সফরে সঙ্গে পাথেয় নিয়ে যাবে, আর জেনে রেখো, তাকওয়াই হলো উত্তম পাথেয়। (আবু দাউদ: ১৭৩০)
হাসান বসরি (রহ.) বলেন, ‘রিজিক অন্বেষণের ক্ষেত্রে কোনো উপায়-উপকরণ অবলম্বন করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়। যেমন—কোনো যানবাহনে আরোহণ করেই গন্তব্যস্থলে কেউ নিরাপদে পৌঁছে যাবে তার নিশ্চয়তা নেই; বরং নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে।’ ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন, ‘তাওয়াক্কুল হলো ইমানের অর্ধেক। আর দ্বিতীয় অর্ধেক হলো, আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করা। কোনো কিছু পাওয়ার জন্য শরিয়ত সমর্থিত বৈধ উপায়-উপকরণ গ্রহণ করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়।’
তাই জীবনে চলার পথে আমাদের যেমন বৈধ উপায়-উপকরণ অবলম্বন করতে হবে। তেমনি আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থাও রাখতে হবে। তাহলেই মিলবে আল্লাহ তাআলার বিশেষ দয়া ও রহমত।
তাওয়াক্কুলকারীদের জন্য আখেরাতেও বিশেষ পুরস্কার রয়েছে। সহিহ বুখারির এক হাদিসে বর্ণিত আছে, তাওয়াক্কুলের পুরস্কার বিনা হিসাবে জান্নাত। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তারা হবে এমন লোক, যারা ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নেয় না, শুভ-অশুভ মানে না এবং তাদের প্রতিপালকের ওপরই ভরসা রাখে। (বুখারি: ৬৪৭২)
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবসময় সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার তাওফিক দান করুন। আামিন।
যে তিন ধরনের লোকদের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব হয়ে যায়? । শাইখ প্রফেসর মোখতার আহমাদ
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
দায়িত্বশীল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট
আল্লাহ দায়িত্বশীল হিসেবে যথেষ্ট
আল্লাহর দয়ার শুকরিয়া করা ও সবক্ষেত্রে তাঁরই ওপর নির্ভর করা বান্দার কর্তব্য
Allah is sufficient as the Responsible.
#AllaIsSufficient #Responsible
#Sufficient #Tawakkul #Trust
#আল্লাহ #দায়িত্বশীল #যথেষ্ট #তাওয়াক্কুল #ভরসা
Allah is sufficient as the Responsible.

2 Corinthians 12:9 (NKJV) -
And He said to me, “My grace is sufficient for you, for My strength is made perfect in weakness.” Therefore most gladly I will rather boast in my infirmities, that the power of Christ may rest upon me.
you wait up for me to dip in and pretend
that you don’t really have the time
you get enough of me then we fall apart
but it isn’t a crime
so we teach what we learn
and we give what we get
(we don’t seem to connect)
we will love once again
‘til we get this correct
the results are the same
(but you’re not to blame)
it’s a shame
Love is to feel someone as sufficient for you. Everything else is a pointless chase…
Random Xpressions
When the daily drudge becomes overwhelming, from where or whom do you draw strength to get you through the day? (Click/Tap the link to read more)
“Therefore, in order to keep me from becoming conceited, I was given a thorn in my flesh, a messenger of Satan, to torment me.”
2 Corinthians 12-7b/NIV
We will go through seasons in life where adversity visits us even though we did nothing to deserve this! We may be doing all the right things, yet pain and misery occur, and we are left to figure out how to deal with the problem and survive.…

This, however, was quite sufficient: I was a good listener, an agreeable person, and he never ceased talking to me.
“Journal of Researches into the Natural History and Geology of the Countries Visited During the Voyage of H.M.S. Beagle Round the World, 1832-36” - Charles Darwin