#unity

20 posts loaded — scroll for more

Text
unity56392
unity56392

UNITY Uniforms: U Series

Brothers of Unity are easily recognized by our signature navy blue coveralls, collared shirt & tie. But what most people don’t realise is that there are multiple variations of our uniform used within UNITY communities, to cater to various tasks & functions.

This series aims to educate fellow brothers & individuals curious or interested in our brotherhood on the different uniforms & it’s appropriate uses, with this 1st part showcasing the U Series, default uniforms worn by brothers on a regular basis

1. U-01

  • Standard issue navy blue coveralls with designation number & Unity patches sewn on chests for convenient identification, worn over a white collared shirt & black tie, with black dress shoes polished to mirror shine
  • Within Unity communities, brothers are allowed to wear either this uniform or it’s variant U-02 for daily wear
  • However, this uniform is mandatory for selected seminars & event cycles (Brothers unsure of appropriate variant are encouraged to approach brothers coordinating above-mentioned events for clarification)
  • Brothers are allowed to wear Unity issued caps when needed & are also encouraged to when weather permits them

2. U-02

  • Variant of U-01, with standard issued black combat boots instead of dress shoes, polished to mirror shine 
  • Brothers are also allowed to wear this uniform for daily use & recreational cycles within Unity communities.
  • However, this variant is mandatory for mandated physical training & outdoor activities/exercises
  • Caps are optional for recreational cycles, but are mandatory for above-mentioned mandated outdoor events

3. U-03

  • While brothers are encouraged to sleep in U-01 or U-02, brothers are allowed to sleep in either a standard issued Unity A shirt, white briefs & white knee high socks
  • This uniform is to only be worn within Unity residential facilities & never outdoors

Text
elysianfan
elysianfan

My first project!

While I was away, I started creating the first project (Sporebox) :0

Text
joelekm
joelekm

Embracing the Power of Unity | How Light Warriors Teach Us We’re All One | Loukas Panether - YouTube

Loukas Panether shares powerful insights on unity, love, and our interconnectedness. A perfect video for those seeking spiritual growth and deeper understanding of our shared purpose.

Text
myryzza
myryzza

some pictures of the program I’m working on to create visualisations of the six-dimensional space that composes Archetypal Space in The Cistern, a worldbuilding project I’m working on!

essentially the color gradients measure Archetypal Stabiliity on a two dimensional cross section of a 6D hypercube, which represents the density of Realities at that point in Archetypal Space!

I’m currently working on a 3D version of this in blender, and it looks really great so far, it just runs REALLY slowly


Text
inthereownwerds
inthereownwerds

We’re better together ❤️

Fuck those hate-filled people who manufacture reasons to divide us.

Text
noorulhasan786
noorulhasan786

The Peril of Division and the Anchor of Unity

The Peril of Division and the Anchor of Unityخَطَرُ التَّفَرُّقِ وَمِحْوَرُ الوَحْدَةِ🔗

The Narration (Hadith):Sayyida Fatima al-Zahra (ʿalayhā as-salām):“Allah made our obedience a system for the religion, and our Imamate a safeguard against division.”فَجَعَلَ اللَّهُ طَاعَتَنَا نِظَاماً لِلْمِلَّةِ، وَإِمَامَتَنَا أَمَاناً مِنَ الْفُرْقَةِCitation: Al-Ihtijaj by al-Tabarsi, Vol. 1, p. 99 (from…

Text
ernestlacouche
ernestlacouche

henri matisse   dance <I>   <1909>

Text
quransunnahdawah
quransunnahdawah

যে কেউ আন্তরিকভাবে বোঝার চেষ্টা করলে আল্লাহ তার জন্য কোরআনকে সহজ করে দেন

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, “আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি” (সূরা আল-ক্বামার: ১৭, ২২, ৩২, ৪০)। এই সহজ করার অর্থ হলো এর ভাষা, শব্দ, মুখস্থকরণ, অর্থ বোঝা এবং উপদেশ গ্রহণ করা সহজ করে দেওয়া। এটি এমন একটি গ্রন্থ যা মানুষের বোঝার জন্য এবং চিন্তাশীলদের জন্য সহজ করে দেওয়া হয়েছে । কোরআন সহজ করে দেওয়ার প্রধান উপায়:

  • সহজ ভাষা ও অর্থ: কোরআন স্পষ্ট আরবি ভাষায় অবতীর্ণ, যা বোঝার জন্য খুব বেশি জটিল ব্যাকরণ বা দুর্বোধ্য শব্দের পরিবর্তে সহজ ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
  • উপদেশ ও শিক্ষা: এর অর্থ ও তাৎপর্য উপলব্ধি করা সহজ, যেন পাঠক সহজেই উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।
  • মুখস্থ ও সংরক্ষণ: আল্লাহ তাআলা এই গ্রন্থটি মানুষের হৃদয়ে ধারণ করা বা মুখস্থ করা সহজ করে দিয়েছেন, যার ফলে এটি যুগের পর যুগ ধরে অবিকৃত রয়েছে।
  • বাস্তবায়ন: কোরআনের নির্দেশনাবলী ও বিধানগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পালন করা বা আমল করা সহজ।
  • পুনরাবৃত্তি ও স্পষ্টতা: এতে একই বিষয় বারবার এবং বিভিন্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যাতে তা মানুষের হৃদয়ে গেঁথে যায় এবং বুঝতে সুবিধা হয়। সংক্ষেপে, আল্লাহ সরাসরি মানুষের হেদায়েতের জন্য, বোধগম্য ভাষা ও ভঙ্গিতে, হৃদয়ঙ্গম করার জন্য এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার জন্য কুরআনকে সহজ করেছেন। 

কোরআন বোঝা কি কঠিন

মুসলিমদের জীবন বিধানের সকল মূলনীতি কোরআনে আল্লাহ বলে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেছেন, ‘আর তোমার ওপর যে কিতাব (কোরআন) নাজিল করা হয়েছে ‎তাতে রয়েছে সকল বিষয়ের বর্ণনা, হেদায়েত, রহমত এবং মুসলিমদের জন্য সুসংবাদ।’ (সুরা নাহল, আয়াত: ৮৯)

দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এ দেশের মুসলিমদের কোরআন দেখে শুদ্ধ করে পড়ার প্রতি গুরুত্ব থাকলেও ইসলামি জীবন বিধানের মৌলিক উৎস কোরআন বোঝার ব্যাপারে অধিকাংশ মুসলিমই উদাসীন। অনেকে ভাবেন, অধিকাংশ মানুষ বিশুদ্ধ করে কোরআন পড়তে জানে না, সেখানে কোরআনের মর্মার্থ অনুধাবন নিয়ে কথা বলতে যাওয়া একটি বিলাসিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। অথচ কোরআন বোঝা কঠিন কিছু নয়, সহজ।

কোরআন নাজিল হয়েছে আরবি ভাষায়। এর শব্দবিন্যাস, ছন্দ, সৌন্দর্য, ব্যঞ্জনা, অন্তর্নিহিত শক্তি ও গভীরতা নিঃসন্দেহে অতুলনীয়। তবে কোরআন যেহেতু দল, মত, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের হেদায়েতের জন্যই নাজিল হয়েছে, সেহেতু সমগ্র মানবজাতির জন্য কোরআনকে সহজ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?’ (সুরা ক্বমার, আয়াত: ১৭,২২,৩২ ও ৪০)

সুতরাং আল্লাহ যেখানে কোরআনকে সহজ করে দিয়েছেন এবং বারবার বলেছেন সহজ; সেখানে কোরআন বোঝা সহজ নয়—এ কথা নিতান্ত অবান্তর। মনে রাখবেন, ‘আল-কোরআন কঠিন’—এটা শয়তানের ধোঁকা!

তাফসিরে সাদিতে এসেছে, কোরআনকে আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব আছে কি উপদেশ গ্রহণকারী কেউ? অর্থাৎ, আমি এই মহাগ্রন্থ আল-কোরআনকে অনেক সহজ করেছি; শব্দগুলোকে সহজ করেছি বিশুদ্ধ তিলাওয়াত ও মুখস্থ করার জন্য, আর তার অর্থকে সহজ করেছি বুঝে পড়া ও জ্ঞানার্জনের জন্য। কারণ, কোরআন হলো শব্দগত দিক থেকে সবচেয়ে সুন্দরতম বাণী ও অর্থগত দিক থেকে ধ্রুব সত্য এবং ব্যাখ্যাগত দিক থেকে সবচেয়ে স্পষ্ট। সুতরাং যে কেউই কোরআনের দিকে এগিয়ে আসে আল্লাহ্‌ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাকে সর্বোচ্চ সহজ করে দেন (তাঁর লক্ষ্য তিলাওয়াত হোক, হিফজ করা হোক, বোঝা হোক কিংবা ব্যাখ্যা করা হোক) এবং কোরআনের পথকে তাঁর জন্য সুগম করে দেন (আবদুর রহমান বিন নাসির বিন আবদুল্লাহ আস-সাদি, তাইসীরুল কারীমির রহমান ফী তাফসীরি কালামিল মান্নান, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ: বৈরুত, ২০০২ খ্রি., পৃ. ৮২৫-৮২৬)।

কোরআনকে কেন সহজ করা হয়েছে

কোরআনের ভাষাকে সহজ করা হয়েছে উপদেশ গ্রহণে সহজতার জন্য। যেমন, আল্লাহ বলেছেন, ‘আমি তো তোমার ভাষায় কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, যাতে এরা উপদেশ গ্রহণ করে।’ (সুরা আদ-দুখান, আয়াত: ৫৮)

আবার চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করার জন্য কোরআন সহজ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন, ‘তবে কি এরা কোরআন সম্বন্ধে মনোযোগ সহকারে চিন্তা করে না? নাকি এদের অন্তর তালাবদ্ধ?’ (সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ২৪)

সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, কোরআনকে সহজ করা হয়েছে পড়া, মুখস্থ করা ও বোঝার জন্য। যে কেউই কোরআন বোঝার জন্য এগিয়ে আসবে, আল্লাহ্‌ তাঁর সহায় হবেন। আর কোরআন বুঝে পড়া কঠিন এ কথা বলাই যাবে না। পাশাপাশি কোরআনের ভাষা আরবি কঠিন, এ কথাও বলা যাবে না। কারণ আল্লাহ্‌ বলে দিয়েছেন তিনি কোরআনের ভাষা আরবিকে সহজ করেছেন, মানুষ যেন কোরআন থেকে সহজেই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

I have made the Quran easy to understand

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

যে কেউ আন্তরিকভাবে বোঝার চেষ্টা করলে আল্লাহ তার জন্য কোরআনকে সহজ করে দেন

Text
tawhidrisalatakhirah
tawhidrisalatakhirah

যে কেউ আন্তরিকভাবে বোঝার চেষ্টা করলে আল্লাহ তার জন্য কোরআনকে সহজ করে দেন

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, “আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি” (সূরা আল-ক্বামার: ১৭, ২২, ৩২, ৪০)। এই সহজ করার অর্থ হলো এর ভাষা, শব্দ, মুখস্থকরণ, অর্থ বোঝা এবং উপদেশ গ্রহণ করা সহজ করে দেওয়া। এটি এমন একটি গ্রন্থ যা মানুষের বোঝার জন্য এবং চিন্তাশীলদের জন্য সহজ করে দেওয়া হয়েছে । কোরআন সহজ করে দেওয়ার প্রধান উপায়:

  • সহজ ভাষা ও অর্থ: কোরআন স্পষ্ট আরবি ভাষায় অবতীর্ণ, যা বোঝার জন্য খুব বেশি জটিল ব্যাকরণ বা দুর্বোধ্য শব্দের পরিবর্তে সহজ ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
  • উপদেশ ও শিক্ষা: এর অর্থ ও তাৎপর্য উপলব্ধি করা সহজ, যেন পাঠক সহজেই উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।
  • মুখস্থ ও সংরক্ষণ: আল্লাহ তাআলা এই গ্রন্থটি মানুষের হৃদয়ে ধারণ করা বা মুখস্থ করা সহজ করে দিয়েছেন, যার ফলে এটি যুগের পর যুগ ধরে অবিকৃত রয়েছে।
  • বাস্তবায়ন: কোরআনের নির্দেশনাবলী ও বিধানগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পালন করা বা আমল করা সহজ।
  • পুনরাবৃত্তি ও স্পষ্টতা: এতে একই বিষয় বারবার এবং বিভিন্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যাতে তা মানুষের হৃদয়ে গেঁথে যায় এবং বুঝতে সুবিধা হয়। সংক্ষেপে, আল্লাহ সরাসরি মানুষের হেদায়েতের জন্য, বোধগম্য ভাষা ও ভঙ্গিতে, হৃদয়ঙ্গম করার জন্য এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার জন্য কুরআনকে সহজ করেছেন। 

কোরআন বোঝা কি কঠিন

মুসলিমদের জীবন বিধানের সকল মূলনীতি কোরআনে আল্লাহ বলে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেছেন, ‘আর তোমার ওপর যে কিতাব (কোরআন) নাজিল করা হয়েছে ‎তাতে রয়েছে সকল বিষয়ের বর্ণনা, হেদায়েত, রহমত এবং মুসলিমদের জন্য সুসংবাদ।’ (সুরা নাহল, আয়াত: ৮৯)

দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এ দেশের মুসলিমদের কোরআন দেখে শুদ্ধ করে পড়ার প্রতি গুরুত্ব থাকলেও ইসলামি জীবন বিধানের মৌলিক উৎস কোরআন বোঝার ব্যাপারে অধিকাংশ মুসলিমই উদাসীন। অনেকে ভাবেন, অধিকাংশ মানুষ বিশুদ্ধ করে কোরআন পড়তে জানে না, সেখানে কোরআনের মর্মার্থ অনুধাবন নিয়ে কথা বলতে যাওয়া একটি বিলাসিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। অথচ কোরআন বোঝা কঠিন কিছু নয়, সহজ।

কোরআন নাজিল হয়েছে আরবি ভাষায়। এর শব্দবিন্যাস, ছন্দ, সৌন্দর্য, ব্যঞ্জনা, অন্তর্নিহিত শক্তি ও গভীরতা নিঃসন্দেহে অতুলনীয়। তবে কোরআন যেহেতু দল, মত, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের হেদায়েতের জন্যই নাজিল হয়েছে, সেহেতু সমগ্র মানবজাতির জন্য কোরআনকে সহজ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?’ (সুরা ক্বমার, আয়াত: ১৭,২২,৩২ ও ৪০)

সুতরাং আল্লাহ যেখানে কোরআনকে সহজ করে দিয়েছেন এবং বারবার বলেছেন সহজ; সেখানে কোরআন বোঝা সহজ নয়—এ কথা নিতান্ত অবান্তর। মনে রাখবেন, ‘আল-কোরআন কঠিন’—এটা শয়তানের ধোঁকা!

তাফসিরে সাদিতে এসেছে, কোরআনকে আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব আছে কি উপদেশ গ্রহণকারী কেউ? অর্থাৎ, আমি এই মহাগ্রন্থ আল-কোরআনকে অনেক সহজ করেছি; শব্দগুলোকে সহজ করেছি বিশুদ্ধ তিলাওয়াত ও মুখস্থ করার জন্য, আর তার অর্থকে সহজ করেছি বুঝে পড়া ও জ্ঞানার্জনের জন্য। কারণ, কোরআন হলো শব্দগত দিক থেকে সবচেয়ে সুন্দরতম বাণী ও অর্থগত দিক থেকে ধ্রুব সত্য এবং ব্যাখ্যাগত দিক থেকে সবচেয়ে স্পষ্ট। সুতরাং যে কেউই কোরআনের দিকে এগিয়ে আসে আল্লাহ্‌ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাকে সর্বোচ্চ সহজ করে দেন (তাঁর লক্ষ্য তিলাওয়াত হোক, হিফজ করা হোক, বোঝা হোক কিংবা ব্যাখ্যা করা হোক) এবং কোরআনের পথকে তাঁর জন্য সুগম করে দেন (আবদুর রহমান বিন নাসির বিন আবদুল্লাহ আস-সাদি, তাইসীরুল কারীমির রহমান ফী তাফসীরি কালামিল মান্নান, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ: বৈরুত, ২০০২ খ্রি., পৃ. ৮২৫-৮২৬)।

কোরআনকে কেন সহজ করা হয়েছে

কোরআনের ভাষাকে সহজ করা হয়েছে উপদেশ গ্রহণে সহজতার জন্য। যেমন, আল্লাহ বলেছেন, ‘আমি তো তোমার ভাষায় কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, যাতে এরা উপদেশ গ্রহণ করে।’ (সুরা আদ-দুখান, আয়াত: ৫৮)

আবার চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করার জন্য কোরআন সহজ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন, ‘তবে কি এরা কোরআন সম্বন্ধে মনোযোগ সহকারে চিন্তা করে না? নাকি এদের অন্তর তালাবদ্ধ?’ (সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ২৪)

সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, কোরআনকে সহজ করা হয়েছে পড়া, মুখস্থ করা ও বোঝার জন্য। যে কেউই কোরআন বোঝার জন্য এগিয়ে আসবে, আল্লাহ্‌ তাঁর সহায় হবেন। আর কোরআন বুঝে পড়া কঠিন এ কথা বলাই যাবে না। পাশাপাশি কোরআনের ভাষা আরবি কঠিন, এ কথাও বলা যাবে না। কারণ আল্লাহ্‌ বলে দিয়েছেন তিনি কোরআনের ভাষা আরবিকে সহজ করেছেন, মানুষ যেন কোরআন থেকে সহজেই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

I have made the Quran easy to understand

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

যে কেউ আন্তরিকভাবে বোঝার চেষ্টা করলে আল্লাহ তার জন্য কোরআনকে সহজ করে দেন

Text
ilyforallahswt
ilyforallahswt

যে কেউ আন্তরিকভাবে বোঝার চেষ্টা করলে আল্লাহ তার জন্য কোরআনকে সহজ করে দেন

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, “আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি” (সূরা আল-ক্বামার: ১৭, ২২, ৩২, ৪০)। এই সহজ করার অর্থ হলো এর ভাষা, শব্দ, মুখস্থকরণ, অর্থ বোঝা এবং উপদেশ গ্রহণ করা সহজ করে দেওয়া। এটি এমন একটি গ্রন্থ যা মানুষের বোঝার জন্য এবং চিন্তাশীলদের জন্য সহজ করে দেওয়া হয়েছে । কোরআন সহজ করে দেওয়ার প্রধান উপায়:

  • সহজ ভাষা ও অর্থ: কোরআন স্পষ্ট আরবি ভাষায় অবতীর্ণ, যা বোঝার জন্য খুব বেশি জটিল ব্যাকরণ বা দুর্বোধ্য শব্দের পরিবর্তে সহজ ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
  • উপদেশ ও শিক্ষা: এর অর্থ ও তাৎপর্য উপলব্ধি করা সহজ, যেন পাঠক সহজেই উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।
  • মুখস্থ ও সংরক্ষণ: আল্লাহ তাআলা এই গ্রন্থটি মানুষের হৃদয়ে ধারণ করা বা মুখস্থ করা সহজ করে দিয়েছেন, যার ফলে এটি যুগের পর যুগ ধরে অবিকৃত রয়েছে।
  • বাস্তবায়ন: কোরআনের নির্দেশনাবলী ও বিধানগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পালন করা বা আমল করা সহজ।
  • পুনরাবৃত্তি ও স্পষ্টতা: এতে একই বিষয় বারবার এবং বিভিন্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যাতে তা মানুষের হৃদয়ে গেঁথে যায় এবং বুঝতে সুবিধা হয়। সংক্ষেপে, আল্লাহ সরাসরি মানুষের হেদায়েতের জন্য, বোধগম্য ভাষা ও ভঙ্গিতে, হৃদয়ঙ্গম করার জন্য এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার জন্য কুরআনকে সহজ করেছেন। 

কোরআন বোঝা কি কঠিন

মুসলিমদের জীবন বিধানের সকল মূলনীতি কোরআনে আল্লাহ বলে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেছেন, ‘আর তোমার ওপর যে কিতাব (কোরআন) নাজিল করা হয়েছে ‎তাতে রয়েছে সকল বিষয়ের বর্ণনা, হেদায়েত, রহমত এবং মুসলিমদের জন্য সুসংবাদ।’ (সুরা নাহল, আয়াত: ৮৯)

দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এ দেশের মুসলিমদের কোরআন দেখে শুদ্ধ করে পড়ার প্রতি গুরুত্ব থাকলেও ইসলামি জীবন বিধানের মৌলিক উৎস কোরআন বোঝার ব্যাপারে অধিকাংশ মুসলিমই উদাসীন। অনেকে ভাবেন, অধিকাংশ মানুষ বিশুদ্ধ করে কোরআন পড়তে জানে না, সেখানে কোরআনের মর্মার্থ অনুধাবন নিয়ে কথা বলতে যাওয়া একটি বিলাসিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। অথচ কোরআন বোঝা কঠিন কিছু নয়, সহজ।

কোরআন নাজিল হয়েছে আরবি ভাষায়। এর শব্দবিন্যাস, ছন্দ, সৌন্দর্য, ব্যঞ্জনা, অন্তর্নিহিত শক্তি ও গভীরতা নিঃসন্দেহে অতুলনীয়। তবে কোরআন যেহেতু দল, মত, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের হেদায়েতের জন্যই নাজিল হয়েছে, সেহেতু সমগ্র মানবজাতির জন্য কোরআনকে সহজ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?’ (সুরা ক্বমার, আয়াত: ১৭,২২,৩২ ও ৪০)

সুতরাং আল্লাহ যেখানে কোরআনকে সহজ করে দিয়েছেন এবং বারবার বলেছেন সহজ; সেখানে কোরআন বোঝা সহজ নয়—এ কথা নিতান্ত অবান্তর। মনে রাখবেন, ‘আল-কোরআন কঠিন’—এটা শয়তানের ধোঁকা!

তাফসিরে সাদিতে এসেছে, কোরআনকে আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব আছে কি উপদেশ গ্রহণকারী কেউ? অর্থাৎ, আমি এই মহাগ্রন্থ আল-কোরআনকে অনেক সহজ করেছি; শব্দগুলোকে সহজ করেছি বিশুদ্ধ তিলাওয়াত ও মুখস্থ করার জন্য, আর তার অর্থকে সহজ করেছি বুঝে পড়া ও জ্ঞানার্জনের জন্য। কারণ, কোরআন হলো শব্দগত দিক থেকে সবচেয়ে সুন্দরতম বাণী ও অর্থগত দিক থেকে ধ্রুব সত্য এবং ব্যাখ্যাগত দিক থেকে সবচেয়ে স্পষ্ট। সুতরাং যে কেউই কোরআনের দিকে এগিয়ে আসে আল্লাহ্‌ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাকে সর্বোচ্চ সহজ করে দেন (তাঁর লক্ষ্য তিলাওয়াত হোক, হিফজ করা হোক, বোঝা হোক কিংবা ব্যাখ্যা করা হোক) এবং কোরআনের পথকে তাঁর জন্য সুগম করে দেন (আবদুর রহমান বিন নাসির বিন আবদুল্লাহ আস-সাদি, তাইসীরুল কারীমির রহমান ফী তাফসীরি কালামিল মান্নান, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ: বৈরুত, ২০০২ খ্রি., পৃ. ৮২৫-৮২৬)।

কোরআনকে কেন সহজ করা হয়েছে

কোরআনের ভাষাকে সহজ করা হয়েছে উপদেশ গ্রহণে সহজতার জন্য। যেমন, আল্লাহ বলেছেন, ‘আমি তো তোমার ভাষায় কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, যাতে এরা উপদেশ গ্রহণ করে।’ (সুরা আদ-দুখান, আয়াত: ৫৮)

আবার চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করার জন্য কোরআন সহজ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন, ‘তবে কি এরা কোরআন সম্বন্ধে মনোযোগ সহকারে চিন্তা করে না? নাকি এদের অন্তর তালাবদ্ধ?’ (সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ২৪)

সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, কোরআনকে সহজ করা হয়েছে পড়া, মুখস্থ করা ও বোঝার জন্য। যে কেউই কোরআন বোঝার জন্য এগিয়ে আসবে, আল্লাহ্‌ তাঁর সহায় হবেন। আর কোরআন বুঝে পড়া কঠিন এ কথা বলাই যাবে না। পাশাপাশি কোরআনের ভাষা আরবি কঠিন, এ কথাও বলা যাবে না। কারণ আল্লাহ্‌ বলে দিয়েছেন তিনি কোরআনের ভাষা আরবিকে সহজ করেছেন, মানুষ যেন কোরআন থেকে সহজেই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

I have made the Quran easy to understand

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

যে কেউ আন্তরিকভাবে বোঝার চেষ্টা করলে আল্লাহ তার জন্য কোরআনকে সহজ করে দেন

Text
myreligionislam
myreligionislam

যে কেউ আন্তরিকভাবে বোঝার চেষ্টা করলে আল্লাহ তার জন্য কোরআনকে সহজ করে দেন

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, “আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি” (সূরা আল-ক্বামার: ১৭, ২২, ৩২, ৪০)। এই সহজ করার অর্থ হলো এর ভাষা, শব্দ, মুখস্থকরণ, অর্থ বোঝা এবং উপদেশ গ্রহণ করা সহজ করে দেওয়া। এটি এমন একটি গ্রন্থ যা মানুষের বোঝার জন্য এবং চিন্তাশীলদের জন্য সহজ করে দেওয়া হয়েছে । কোরআন সহজ করে দেওয়ার প্রধান উপায়:

  • সহজ ভাষা ও অর্থ: কোরআন স্পষ্ট আরবি ভাষায় অবতীর্ণ, যা বোঝার জন্য খুব বেশি জটিল ব্যাকরণ বা দুর্বোধ্য শব্দের পরিবর্তে সহজ ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
  • উপদেশ ও শিক্ষা: এর অর্থ ও তাৎপর্য উপলব্ধি করা সহজ, যেন পাঠক সহজেই উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।
  • মুখস্থ ও সংরক্ষণ: আল্লাহ তাআলা এই গ্রন্থটি মানুষের হৃদয়ে ধারণ করা বা মুখস্থ করা সহজ করে দিয়েছেন, যার ফলে এটি যুগের পর যুগ ধরে অবিকৃত রয়েছে।
  • বাস্তবায়ন: কোরআনের নির্দেশনাবলী ও বিধানগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পালন করা বা আমল করা সহজ।
  • পুনরাবৃত্তি ও স্পষ্টতা: এতে একই বিষয় বারবার এবং বিভিন্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যাতে তা মানুষের হৃদয়ে গেঁথে যায় এবং বুঝতে সুবিধা হয়। সংক্ষেপে, আল্লাহ সরাসরি মানুষের হেদায়েতের জন্য, বোধগম্য ভাষা ও ভঙ্গিতে, হৃদয়ঙ্গম করার জন্য এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার জন্য কুরআনকে সহজ করেছেন। 

কোরআন বোঝা কি কঠিন

মুসলিমদের জীবন বিধানের সকল মূলনীতি কোরআনে আল্লাহ বলে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেছেন, ‘আর তোমার ওপর যে কিতাব (কোরআন) নাজিল করা হয়েছে ‎তাতে রয়েছে সকল বিষয়ের বর্ণনা, হেদায়েত, রহমত এবং মুসলিমদের জন্য সুসংবাদ।’ (সুরা নাহল, আয়াত: ৮৯)

দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এ দেশের মুসলিমদের কোরআন দেখে শুদ্ধ করে পড়ার প্রতি গুরুত্ব থাকলেও ইসলামি জীবন বিধানের মৌলিক উৎস কোরআন বোঝার ব্যাপারে অধিকাংশ মুসলিমই উদাসীন। অনেকে ভাবেন, অধিকাংশ মানুষ বিশুদ্ধ করে কোরআন পড়তে জানে না, সেখানে কোরআনের মর্মার্থ অনুধাবন নিয়ে কথা বলতে যাওয়া একটি বিলাসিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। অথচ কোরআন বোঝা কঠিন কিছু নয়, সহজ।

কোরআন নাজিল হয়েছে আরবি ভাষায়। এর শব্দবিন্যাস, ছন্দ, সৌন্দর্য, ব্যঞ্জনা, অন্তর্নিহিত শক্তি ও গভীরতা নিঃসন্দেহে অতুলনীয়। তবে কোরআন যেহেতু দল, মত, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের হেদায়েতের জন্যই নাজিল হয়েছে, সেহেতু সমগ্র মানবজাতির জন্য কোরআনকে সহজ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?’ (সুরা ক্বমার, আয়াত: ১৭,২২,৩২ ও ৪০)

সুতরাং আল্লাহ যেখানে কোরআনকে সহজ করে দিয়েছেন এবং বারবার বলেছেন সহজ; সেখানে কোরআন বোঝা সহজ নয়—এ কথা নিতান্ত অবান্তর। মনে রাখবেন, ‘আল-কোরআন কঠিন’—এটা শয়তানের ধোঁকা!

তাফসিরে সাদিতে এসেছে, কোরআনকে আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব আছে কি উপদেশ গ্রহণকারী কেউ? অর্থাৎ, আমি এই মহাগ্রন্থ আল-কোরআনকে অনেক সহজ করেছি; শব্দগুলোকে সহজ করেছি বিশুদ্ধ তিলাওয়াত ও মুখস্থ করার জন্য, আর তার অর্থকে সহজ করেছি বুঝে পড়া ও জ্ঞানার্জনের জন্য। কারণ, কোরআন হলো শব্দগত দিক থেকে সবচেয়ে সুন্দরতম বাণী ও অর্থগত দিক থেকে ধ্রুব সত্য এবং ব্যাখ্যাগত দিক থেকে সবচেয়ে স্পষ্ট। সুতরাং যে কেউই কোরআনের দিকে এগিয়ে আসে আল্লাহ্‌ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাকে সর্বোচ্চ সহজ করে দেন (তাঁর লক্ষ্য তিলাওয়াত হোক, হিফজ করা হোক, বোঝা হোক কিংবা ব্যাখ্যা করা হোক) এবং কোরআনের পথকে তাঁর জন্য সুগম করে দেন (আবদুর রহমান বিন নাসির বিন আবদুল্লাহ আস-সাদি, তাইসীরুল কারীমির রহমান ফী তাফসীরি কালামিল মান্নান, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ: বৈরুত, ২০০২ খ্রি., পৃ. ৮২৫-৮২৬)।

কোরআনকে কেন সহজ করা হয়েছে

কোরআনের ভাষাকে সহজ করা হয়েছে উপদেশ গ্রহণে সহজতার জন্য। যেমন, আল্লাহ বলেছেন, ‘আমি তো তোমার ভাষায় কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, যাতে এরা উপদেশ গ্রহণ করে।’ (সুরা আদ-দুখান, আয়াত: ৫৮)

আবার চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করার জন্য কোরআন সহজ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন, ‘তবে কি এরা কোরআন সম্বন্ধে মনোযোগ সহকারে চিন্তা করে না? নাকি এদের অন্তর তালাবদ্ধ?’ (সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ২৪)

সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, কোরআনকে সহজ করা হয়েছে পড়া, মুখস্থ করা ও বোঝার জন্য। যে কেউই কোরআন বোঝার জন্য এগিয়ে আসবে, আল্লাহ্‌ তাঁর সহায় হবেন। আর কোরআন বুঝে পড়া কঠিন এ কথা বলাই যাবে না। পাশাপাশি কোরআনের ভাষা আরবি কঠিন, এ কথাও বলা যাবে না। কারণ আল্লাহ্‌ বলে দিয়েছেন তিনি কোরআনের ভাষা আরবিকে সহজ করেছেন, মানুষ যেন কোরআন থেকে সহজেই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

I have made the Quran easy to understand

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

যে কেউ আন্তরিকভাবে বোঝার চেষ্টা করলে আল্লাহ তার জন্য কোরআনকে সহজ করে দেন

Text
mylordisallah
mylordisallah

যে কেউ আন্তরিকভাবে বোঝার চেষ্টা করলে আল্লাহ তার জন্য কোরআনকে সহজ করে দেন

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, “আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি” (সূরা আল-ক্বামার: ১৭, ২২, ৩২, ৪০)। এই সহজ করার অর্থ হলো এর ভাষা, শব্দ, মুখস্থকরণ, অর্থ বোঝা এবং উপদেশ গ্রহণ করা সহজ করে দেওয়া। এটি এমন একটি গ্রন্থ যা মানুষের বোঝার জন্য এবং চিন্তাশীলদের জন্য সহজ করে দেওয়া হয়েছে । কোরআন সহজ করে দেওয়ার প্রধান উপায়:

  • সহজ ভাষা ও অর্থ: কোরআন স্পষ্ট আরবি ভাষায় অবতীর্ণ, যা বোঝার জন্য খুব বেশি জটিল ব্যাকরণ বা দুর্বোধ্য শব্দের পরিবর্তে সহজ ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
  • উপদেশ ও শিক্ষা: এর অর্থ ও তাৎপর্য উপলব্ধি করা সহজ, যেন পাঠক সহজেই উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।
  • মুখস্থ ও সংরক্ষণ: আল্লাহ তাআলা এই গ্রন্থটি মানুষের হৃদয়ে ধারণ করা বা মুখস্থ করা সহজ করে দিয়েছেন, যার ফলে এটি যুগের পর যুগ ধরে অবিকৃত রয়েছে।
  • বাস্তবায়ন: কোরআনের নির্দেশনাবলী ও বিধানগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পালন করা বা আমল করা সহজ।
  • পুনরাবৃত্তি ও স্পষ্টতা: এতে একই বিষয় বারবার এবং বিভিন্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যাতে তা মানুষের হৃদয়ে গেঁথে যায় এবং বুঝতে সুবিধা হয়। সংক্ষেপে, আল্লাহ সরাসরি মানুষের হেদায়েতের জন্য, বোধগম্য ভাষা ও ভঙ্গিতে, হৃদয়ঙ্গম করার জন্য এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার জন্য কুরআনকে সহজ করেছেন। 

কোরআন বোঝা কি কঠিন

মুসলিমদের জীবন বিধানের সকল মূলনীতি কোরআনে আল্লাহ বলে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেছেন, ‘আর তোমার ওপর যে কিতাব (কোরআন) নাজিল করা হয়েছে ‎তাতে রয়েছে সকল বিষয়ের বর্ণনা, হেদায়েত, রহমত এবং মুসলিমদের জন্য সুসংবাদ।’ (সুরা নাহল, আয়াত: ৮৯)

দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এ দেশের মুসলিমদের কোরআন দেখে শুদ্ধ করে পড়ার প্রতি গুরুত্ব থাকলেও ইসলামি জীবন বিধানের মৌলিক উৎস কোরআন বোঝার ব্যাপারে অধিকাংশ মুসলিমই উদাসীন। অনেকে ভাবেন, অধিকাংশ মানুষ বিশুদ্ধ করে কোরআন পড়তে জানে না, সেখানে কোরআনের মর্মার্থ অনুধাবন নিয়ে কথা বলতে যাওয়া একটি বিলাসিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। অথচ কোরআন বোঝা কঠিন কিছু নয়, সহজ।

কোরআন নাজিল হয়েছে আরবি ভাষায়। এর শব্দবিন্যাস, ছন্দ, সৌন্দর্য, ব্যঞ্জনা, অন্তর্নিহিত শক্তি ও গভীরতা নিঃসন্দেহে অতুলনীয়। তবে কোরআন যেহেতু দল, মত, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের হেদায়েতের জন্যই নাজিল হয়েছে, সেহেতু সমগ্র মানবজাতির জন্য কোরআনকে সহজ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?’ (সুরা ক্বমার, আয়াত: ১৭,২২,৩২ ও ৪০)

সুতরাং আল্লাহ যেখানে কোরআনকে সহজ করে দিয়েছেন এবং বারবার বলেছেন সহজ; সেখানে কোরআন বোঝা সহজ নয়—এ কথা নিতান্ত অবান্তর। মনে রাখবেন, ‘আল-কোরআন কঠিন’—এটা শয়তানের ধোঁকা!

তাফসিরে সাদিতে এসেছে, কোরআনকে আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব আছে কি উপদেশ গ্রহণকারী কেউ? অর্থাৎ, আমি এই মহাগ্রন্থ আল-কোরআনকে অনেক সহজ করেছি; শব্দগুলোকে সহজ করেছি বিশুদ্ধ তিলাওয়াত ও মুখস্থ করার জন্য, আর তার অর্থকে সহজ করেছি বুঝে পড়া ও জ্ঞানার্জনের জন্য। কারণ, কোরআন হলো শব্দগত দিক থেকে সবচেয়ে সুন্দরতম বাণী ও অর্থগত দিক থেকে ধ্রুব সত্য এবং ব্যাখ্যাগত দিক থেকে সবচেয়ে স্পষ্ট। সুতরাং যে কেউই কোরআনের দিকে এগিয়ে আসে আল্লাহ্‌ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাকে সর্বোচ্চ সহজ করে দেন (তাঁর লক্ষ্য তিলাওয়াত হোক, হিফজ করা হোক, বোঝা হোক কিংবা ব্যাখ্যা করা হোক) এবং কোরআনের পথকে তাঁর জন্য সুগম করে দেন (আবদুর রহমান বিন নাসির বিন আবদুল্লাহ আস-সাদি, তাইসীরুল কারীমির রহমান ফী তাফসীরি কালামিল মান্নান, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ: বৈরুত, ২০০২ খ্রি., পৃ. ৮২৫-৮২৬)।

কোরআনকে কেন সহজ করা হয়েছে

কোরআনের ভাষাকে সহজ করা হয়েছে উপদেশ গ্রহণে সহজতার জন্য। যেমন, আল্লাহ বলেছেন, ‘আমি তো তোমার ভাষায় কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, যাতে এরা উপদেশ গ্রহণ করে।’ (সুরা আদ-দুখান, আয়াত: ৫৮)

আবার চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করার জন্য কোরআন সহজ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন, ‘তবে কি এরা কোরআন সম্বন্ধে মনোযোগ সহকারে চিন্তা করে না? নাকি এদের অন্তর তালাবদ্ধ?’ (সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ২৪)

সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, কোরআনকে সহজ করা হয়েছে পড়া, মুখস্থ করা ও বোঝার জন্য। যে কেউই কোরআন বোঝার জন্য এগিয়ে আসবে, আল্লাহ্‌ তাঁর সহায় হবেন। আর কোরআন বুঝে পড়া কঠিন এ কথা বলাই যাবে না। পাশাপাশি কোরআনের ভাষা আরবি কঠিন, এ কথাও বলা যাবে না। কারণ আল্লাহ্‌ বলে দিয়েছেন তিনি কোরআনের ভাষা আরবিকে সহজ করেছেন, মানুষ যেন কোরআন থেকে সহজেই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

I have made the Quran easy to understand

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

যে কেউ আন্তরিকভাবে বোঝার চেষ্টা করলে আল্লাহ তার জন্য কোরআনকে সহজ করে দেন

Text
allahisourrabb
allahisourrabb

যে কেউ আন্তরিকভাবে বোঝার চেষ্টা করলে আল্লাহ তার জন্য কোরআনকে সহজ করে দেন

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, “আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি” (সূরা আল-ক্বামার: ১৭, ২২, ৩২, ৪০)। এই সহজ করার অর্থ হলো এর ভাষা, শব্দ, মুখস্থকরণ, অর্থ বোঝা এবং উপদেশ গ্রহণ করা সহজ করে দেওয়া। এটি এমন একটি গ্রন্থ যা মানুষের বোঝার জন্য এবং চিন্তাশীলদের জন্য সহজ করে দেওয়া হয়েছে । কোরআন সহজ করে দেওয়ার প্রধান উপায়:

  • সহজ ভাষা ও অর্থ: কোরআন স্পষ্ট আরবি ভাষায় অবতীর্ণ, যা বোঝার জন্য খুব বেশি জটিল ব্যাকরণ বা দুর্বোধ্য শব্দের পরিবর্তে সহজ ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
  • উপদেশ ও শিক্ষা: এর অর্থ ও তাৎপর্য উপলব্ধি করা সহজ, যেন পাঠক সহজেই উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।
  • মুখস্থ ও সংরক্ষণ: আল্লাহ তাআলা এই গ্রন্থটি মানুষের হৃদয়ে ধারণ করা বা মুখস্থ করা সহজ করে দিয়েছেন, যার ফলে এটি যুগের পর যুগ ধরে অবিকৃত রয়েছে।
  • বাস্তবায়ন: কোরআনের নির্দেশনাবলী ও বিধানগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পালন করা বা আমল করা সহজ।
  • পুনরাবৃত্তি ও স্পষ্টতা: এতে একই বিষয় বারবার এবং বিভিন্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যাতে তা মানুষের হৃদয়ে গেঁথে যায় এবং বুঝতে সুবিধা হয়। সংক্ষেপে, আল্লাহ সরাসরি মানুষের হেদায়েতের জন্য, বোধগম্য ভাষা ও ভঙ্গিতে, হৃদয়ঙ্গম করার জন্য এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার জন্য কুরআনকে সহজ করেছেন। 

কোরআন বোঝা কি কঠিন

মুসলিমদের জীবন বিধানের সকল মূলনীতি কোরআনে আল্লাহ বলে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেছেন, ‘আর তোমার ওপর যে কিতাব (কোরআন) নাজিল করা হয়েছে ‎তাতে রয়েছে সকল বিষয়ের বর্ণনা, হেদায়েত, রহমত এবং মুসলিমদের জন্য সুসংবাদ।’ (সুরা নাহল, আয়াত: ৮৯)

দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এ দেশের মুসলিমদের কোরআন দেখে শুদ্ধ করে পড়ার প্রতি গুরুত্ব থাকলেও ইসলামি জীবন বিধানের মৌলিক উৎস কোরআন বোঝার ব্যাপারে অধিকাংশ মুসলিমই উদাসীন। অনেকে ভাবেন, অধিকাংশ মানুষ বিশুদ্ধ করে কোরআন পড়তে জানে না, সেখানে কোরআনের মর্মার্থ অনুধাবন নিয়ে কথা বলতে যাওয়া একটি বিলাসিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। অথচ কোরআন বোঝা কঠিন কিছু নয়, সহজ।

কোরআন নাজিল হয়েছে আরবি ভাষায়। এর শব্দবিন্যাস, ছন্দ, সৌন্দর্য, ব্যঞ্জনা, অন্তর্নিহিত শক্তি ও গভীরতা নিঃসন্দেহে অতুলনীয়। তবে কোরআন যেহেতু দল, মত, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের হেদায়েতের জন্যই নাজিল হয়েছে, সেহেতু সমগ্র মানবজাতির জন্য কোরআনকে সহজ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?’ (সুরা ক্বমার, আয়াত: ১৭,২২,৩২ ও ৪০)

সুতরাং আল্লাহ যেখানে কোরআনকে সহজ করে দিয়েছেন এবং বারবার বলেছেন সহজ; সেখানে কোরআন বোঝা সহজ নয়—এ কথা নিতান্ত অবান্তর। মনে রাখবেন, ‘আল-কোরআন কঠিন’—এটা শয়তানের ধোঁকা!

তাফসিরে সাদিতে এসেছে, কোরআনকে আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব আছে কি উপদেশ গ্রহণকারী কেউ? অর্থাৎ, আমি এই মহাগ্রন্থ আল-কোরআনকে অনেক সহজ করেছি; শব্দগুলোকে সহজ করেছি বিশুদ্ধ তিলাওয়াত ও মুখস্থ করার জন্য, আর তার অর্থকে সহজ করেছি বুঝে পড়া ও জ্ঞানার্জনের জন্য। কারণ, কোরআন হলো শব্দগত দিক থেকে সবচেয়ে সুন্দরতম বাণী ও অর্থগত দিক থেকে ধ্রুব সত্য এবং ব্যাখ্যাগত দিক থেকে সবচেয়ে স্পষ্ট। সুতরাং যে কেউই কোরআনের দিকে এগিয়ে আসে আল্লাহ্‌ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাকে সর্বোচ্চ সহজ করে দেন (তাঁর লক্ষ্য তিলাওয়াত হোক, হিফজ করা হোক, বোঝা হোক কিংবা ব্যাখ্যা করা হোক) এবং কোরআনের পথকে তাঁর জন্য সুগম করে দেন (আবদুর রহমান বিন নাসির বিন আবদুল্লাহ আস-সাদি, তাইসীরুল কারীমির রহমান ফী তাফসীরি কালামিল মান্নান, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ: বৈরুত, ২০০২ খ্রি., পৃ. ৮২৫-৮২৬)।

কোরআনকে কেন সহজ করা হয়েছে

কোরআনের ভাষাকে সহজ করা হয়েছে উপদেশ গ্রহণে সহজতার জন্য। যেমন, আল্লাহ বলেছেন, ‘আমি তো তোমার ভাষায় কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি, যাতে এরা উপদেশ গ্রহণ করে।’ (সুরা আদ-দুখান, আয়াত: ৫৮)

আবার চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করার জন্য কোরআন সহজ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন, ‘তবে কি এরা কোরআন সম্বন্ধে মনোযোগ সহকারে চিন্তা করে না? নাকি এদের অন্তর তালাবদ্ধ?’ (সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ২৪)

সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, কোরআনকে সহজ করা হয়েছে পড়া, মুখস্থ করা ও বোঝার জন্য। যে কেউই কোরআন বোঝার জন্য এগিয়ে আসবে, আল্লাহ্‌ তাঁর সহায় হবেন। আর কোরআন বুঝে পড়া কঠিন এ কথা বলাই যাবে না। পাশাপাশি কোরআনের ভাষা আরবি কঠিন, এ কথাও বলা যাবে না। কারণ আল্লাহ্‌ বলে দিয়েছেন তিনি কোরআনের ভাষা আরবিকে সহজ করেছেন, মানুষ যেন কোরআন থেকে সহজেই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

I have made the Quran easy to understand

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে

যে কেউ আন্তরিকভাবে বোঝার চেষ্টা করলে আল্লাহ তার জন্য কোরআনকে সহজ করে দেন

Text
azuritevanguard
azuritevanguard
Text
eyeconvict
eyeconvict

Gonna try to make stuff on unity as I’ve been struggling to draw. Wish me luck! And tips will be helpful (even if unity has its own mind 9 times out of 10)

Text
bibleteacher-org
bibleteacher-org

Preached at mid-week service for Riverview


View On WordPress

Text
0tricksterlove0
0tricksterlove0

Unity - Transcendence Beyond Opposites

When you are in Balanced Unity, it means Beyond opposites, it doesn’t mean a Balance of opposites, but instead, Unifying creates a third dimension, a third way, a third thing, which is actually neither opposite. It is Transcendence beyond opposites, it creates an understanding, a Gnosis, of the Emptiness of all of reality, and of the Nothingness of God. It is Transcendence Beyond All opposites. That Path is The Middle Way, The Middle Path, between both opposites, as opposites cannot be fully Unified and integrated without them both being cancelled out in the process, the concepts of light and dark cannot coexist as One, because these things are a creation, made by a distinguishing, separating and creating human mind. That is the nature of the opposites, they are a creation, made to distinguish each from the other. Creation such as these, is automatically creating a separation in those perceived things in the consciousness. They cannot be Unified, when you try to, you will come across contradiction, paradox and opposition of these poles, to the extreme, like putting the same poles of magnets against each other, They will repel, always.

Say, for instance, you see differing and opposite beliefs and/or experiences, and you weigh and hold each opposite belief and/or experiences as being equal and right. Which one do you go to? Which one do you believe is right, and which one do you believe is wrong? If you see all things as equal, and believe others when they tell their Truth, there is no way these opposites can be reconciled, and so, each opposite is cancelled out, and you realise and gain Gnosis of Emptiness and Nothingness. But, in this Nothingness and Emptiness, there is understanding, compassion, open mindedness and, especially, Unity. For, you see all as Equal, and each individual Truth is beautiful, the colours of Life.

You start to perceive Full Unity, in every way, in every form, your own Gnosis of Emptiness and Nothingness, then starts to Unify All. All of creation becomes Unified, and All expressions of Truth, of belief, of creation, is seen, accepted, encompassed and held in Equal measure. Think of Emptiness and Nothingness as Holding and Encompassing Every and All beliefs, All experiences and All things in its Embrace. You perceive All creation and all things, and Embrace them all, you See Beyond even the concepts of Emptiness and Nothingness, Ad Infinitum. Every creation, Every belief, Every experience, is Held and Seen in Equal Measure. I still have my own likes and dislikes, perspectives and perceptions, but I See Beyond them All.

Think of the Adjustment card in the Thoth Tarot deck. That card holds the same principle and meaning, when you hold each opposite as Equal, you actually cancel them out, but out of that cancellation, comes Total Unity and Equality, Total Balance. Think Lady Justice. Justice is Blind for She sees no prejudice or bias. She sees All and All is Equal in Her eyes. That is why She is depicted Blind, for She does not sway towards a specific narrative or way, She Encompasses All, for She is All Seeing with Her Eyes Blindfolded. She is The Ultimate Equality, The Ultimate Fairness and The Ultimate Justice. In Seeing All opposites as Equal, She is Nothing, yet at the same time, She is Everything.

Text
nienie888
nienie888
Text
mindsetshiftdaily
mindsetshiftdaily

Bridging the Gap: Wisdom from Audre Lorde ⛰️✨

There’s something so grounding about looking at a canyon and realizing that the only thing separating two massive cliffs is a bit of perspective—and a bridge. 🌉 Audre Lorde always had a way of cutting straight to the heart of what it means to be human. In a world that can sometimes feel like one giant divide, remembering that our differences are actually our greatest strength is the ultimate form of rebellion. It’s about more than just “getting along”; it’s about actually seeing each other, honoring our unique paths, and building those connections across the rugged terrain of life. Let’s stop staring at the depth of the gorge and start celebrating the beauty of the bridge. 🌿🦋🕊️

Reblog if this resonated with you today and follow for your daily dose of wisdom, poetry, and aesthetic inspiration! 🕯️📜

Text
musicpromotionclub
musicpromotionclub

🤝 Together we’re stronger. “Unity” by Just Laamar brings powerful energy and a message about standing united through music. 🎧🔥