#Insaaf

20 posts loaded — scroll for more

Text
quransunnahdawah
quransunnahdawah

দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সামাজিক জীবনে ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।

মুমিনজীবনে ইনসাফের গুরুত্ব

দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সামাজিক জীবনে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা না থাকলে জীবনের শৃঙ্খলা বাধাগ্রস্ত হয়। মানুষের পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে অশান্তি সৃষ্টি হয়। পরস্পর শত্রুতা সৃষ্টি হয়।

সমাজে জুলুম প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মানবজাতিকে ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর জন্য ন্যায়ের সঙ্গে সাক্ষ্যদানকারী হিসেবে সদা দণ্ডায়মান হও। কোনো কওমের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদের কোনোভাবে প্ররোচিত না করে যে তোমরা ইনসাফ করবে না।

তোমরা ইনসাফ করো, তা তাকওয়ার নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই তোমরা যা করো, আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।’ (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৮)

অনেকে আছে তাদের জুলুমগুলোকেই ইনসাফ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বিভিন্ন রকম ছলচাতুরীর আশ্রয় নেয়। বিভিন্ন মিথ্যা গল্প সাজায়।

অথচ মহান আল্লাহ আমাদের সব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত, তাই আমরা খোঁড়া যুক্তি দিয়ে নিজেদের পক্ষপাত ও জুলুমকে যতই প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করি না কেন, মহান আল্লাহ আমাদের প্রত্যেকের মনের অবস্থা জানেন। তাই মুমিনের জন্য বক্তিগত স্বার্থে কিংবা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কখনো কোনো অপরাধ ও জুলুমের পক্ষে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই। নিজের কিংবা নিজের নিকটতম কারো স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলেও সব সময় ন্যায়ের পক্ষে থাকতে হবে। মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা ন্যায়ের ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে আল্লাহর জন্য সাক্ষীরূপে। যদিও তা তোমাদের নিজেদের কিংবা মা-বাবার অথবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে হয়।

যদি সে বিত্তশালী হয় কিংবা দরিদ্র, তবে আল্লাহ উভয়ের ঘনিষ্ঠতর। সুতরাং ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে তোমরা প্রবৃত্তির অনুসরণ কোরো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বলো কিংবা এড়িয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমরা যা করো সে বিষয়ে সম্যক অবগত।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৩৫)

আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) এমন একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ চেয়েছেন, যেখানে ধনী-গরিব, শক্তিশালী-দুর্বল সবার প্রাপ্য অধিকার থাকবে। যেখানে কেউ কারো প্রতি জুলুম করবে না। কেউ কারো হক মেরে খাবে না। দুর্বল তার প্রাপ্য আদায়ের জন্য কখনো জোর-জবরদস্তি করতে হবে না। আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, এক বেদুইন নবী (সা.)-এর কাছে এসে তাঁর ঋণ শোধের জন্য তাঁকে কঠোর ভাষায় তাগাদা দিল, এমনকি সে তাকে বলল, আমার ঋণ পরিশোধ না করলে আমি আপনাকে নাজেহাল করব। সাহাবিরা তার ওপর চড়াও হতে উদ্যত হয়ে বললেন, তোমার অনিষ্ট হোক! তুমি কি জানো কার সঙ্গে কথা বলছ? সে বলল, আমি আমার পাওনা দাবি করছি। তখন নবী (সা.) বলেন, তোমরা কেন পাওনাদারের পক্ষ নিলে না? অতঃপর তিনি কায়েসের কন্যা খাওলা (রা.) -এর কাছে লোক পাঠিয়ে তাকে বললেন, তোমার কাছে খেজুর থাকলে আমাকে ধার দাও। আমার খেজুর এলে তোমার ধার পরিশোধ করব। খাওলা (রা.) বললেন, হ্যাঁ, আমার পিতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, ইয়া রাসুলাল্লাহ। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাঁকে ধার দিলেন। তিনি বেদুইনের পাওনা পরিশোধ করলেন এবং তাকে আহার করালেন। তিনি বলেন, উত্তম লোকেরা এমনই হয়। যে জাতির দুর্বল লোকেরা জোর-জবরদস্তি ছাড়া তাদের পাওনা আদায় করতে পারে না, সেই জাতি কখনো পবিত্র হতে পারে না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৪২৬)

তাই আমাদের উচিত সর্বদা ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করা, ন্যায়ের পক্ষে থাকা। মহান আল্লাহকে ভয় করা। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে তাকওয়া অবলম্বনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

Text
tawhidrisalatakhirah
tawhidrisalatakhirah

দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সামাজিক জীবনে ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।

মুমিনজীবনে ইনসাফের গুরুত্ব

দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সামাজিক জীবনে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা না থাকলে জীবনের শৃঙ্খলা বাধাগ্রস্ত হয়। মানুষের পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে অশান্তি সৃষ্টি হয়। পরস্পর শত্রুতা সৃষ্টি হয়।

সমাজে জুলুম প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মানবজাতিকে ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর জন্য ন্যায়ের সঙ্গে সাক্ষ্যদানকারী হিসেবে সদা দণ্ডায়মান হও। কোনো কওমের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদের কোনোভাবে প্ররোচিত না করে যে তোমরা ইনসাফ করবে না।

তোমরা ইনসাফ করো, তা তাকওয়ার নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই তোমরা যা করো, আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।’ (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৮)

অনেকে আছে তাদের জুলুমগুলোকেই ইনসাফ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বিভিন্ন রকম ছলচাতুরীর আশ্রয় নেয়। বিভিন্ন মিথ্যা গল্প সাজায়।

অথচ মহান আল্লাহ আমাদের সব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত, তাই আমরা খোঁড়া যুক্তি দিয়ে নিজেদের পক্ষপাত ও জুলুমকে যতই প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করি না কেন, মহান আল্লাহ আমাদের প্রত্যেকের মনের অবস্থা জানেন। তাই মুমিনের জন্য বক্তিগত স্বার্থে কিংবা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কখনো কোনো অপরাধ ও জুলুমের পক্ষে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই। নিজের কিংবা নিজের নিকটতম কারো স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলেও সব সময় ন্যায়ের পক্ষে থাকতে হবে। মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা ন্যায়ের ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে আল্লাহর জন্য সাক্ষীরূপে। যদিও তা তোমাদের নিজেদের কিংবা মা-বাবার অথবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে হয়।

যদি সে বিত্তশালী হয় কিংবা দরিদ্র, তবে আল্লাহ উভয়ের ঘনিষ্ঠতর। সুতরাং ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে তোমরা প্রবৃত্তির অনুসরণ কোরো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বলো কিংবা এড়িয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমরা যা করো সে বিষয়ে সম্যক অবগত।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৩৫)

আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) এমন একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ চেয়েছেন, যেখানে ধনী-গরিব, শক্তিশালী-দুর্বল সবার প্রাপ্য অধিকার থাকবে। যেখানে কেউ কারো প্রতি জুলুম করবে না। কেউ কারো হক মেরে খাবে না। দুর্বল তার প্রাপ্য আদায়ের জন্য কখনো জোর-জবরদস্তি করতে হবে না। আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, এক বেদুইন নবী (সা.)-এর কাছে এসে তাঁর ঋণ শোধের জন্য তাঁকে কঠোর ভাষায় তাগাদা দিল, এমনকি সে তাকে বলল, আমার ঋণ পরিশোধ না করলে আমি আপনাকে নাজেহাল করব। সাহাবিরা তার ওপর চড়াও হতে উদ্যত হয়ে বললেন, তোমার অনিষ্ট হোক! তুমি কি জানো কার সঙ্গে কথা বলছ? সে বলল, আমি আমার পাওনা দাবি করছি। তখন নবী (সা.) বলেন, তোমরা কেন পাওনাদারের পক্ষ নিলে না? অতঃপর তিনি কায়েসের কন্যা খাওলা (রা.) -এর কাছে লোক পাঠিয়ে তাকে বললেন, তোমার কাছে খেজুর থাকলে আমাকে ধার দাও। আমার খেজুর এলে তোমার ধার পরিশোধ করব। খাওলা (রা.) বললেন, হ্যাঁ, আমার পিতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, ইয়া রাসুলাল্লাহ। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাঁকে ধার দিলেন। তিনি বেদুইনের পাওনা পরিশোধ করলেন এবং তাকে আহার করালেন। তিনি বলেন, উত্তম লোকেরা এমনই হয়। যে জাতির দুর্বল লোকেরা জোর-জবরদস্তি ছাড়া তাদের পাওনা আদায় করতে পারে না, সেই জাতি কখনো পবিত্র হতে পারে না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৪২৬)

তাই আমাদের উচিত সর্বদা ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করা, ন্যায়ের পক্ষে থাকা। মহান আল্লাহকে ভয় করা। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে তাকওয়া অবলম্বনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

Text
ilyforallahswt
ilyforallahswt

দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সামাজিক জীবনে ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।

মুমিনজীবনে ইনসাফের গুরুত্ব

দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সামাজিক জীবনে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা না থাকলে জীবনের শৃঙ্খলা বাধাগ্রস্ত হয়। মানুষের পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে অশান্তি সৃষ্টি হয়। পরস্পর শত্রুতা সৃষ্টি হয়।

সমাজে জুলুম প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মানবজাতিকে ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর জন্য ন্যায়ের সঙ্গে সাক্ষ্যদানকারী হিসেবে সদা দণ্ডায়মান হও। কোনো কওমের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদের কোনোভাবে প্ররোচিত না করে যে তোমরা ইনসাফ করবে না।

তোমরা ইনসাফ করো, তা তাকওয়ার নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই তোমরা যা করো, আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।’ (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৮)

অনেকে আছে তাদের জুলুমগুলোকেই ইনসাফ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বিভিন্ন রকম ছলচাতুরীর আশ্রয় নেয়। বিভিন্ন মিথ্যা গল্প সাজায়।

অথচ মহান আল্লাহ আমাদের সব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত, তাই আমরা খোঁড়া যুক্তি দিয়ে নিজেদের পক্ষপাত ও জুলুমকে যতই প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করি না কেন, মহান আল্লাহ আমাদের প্রত্যেকের মনের অবস্থা জানেন। তাই মুমিনের জন্য বক্তিগত স্বার্থে কিংবা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কখনো কোনো অপরাধ ও জুলুমের পক্ষে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই। নিজের কিংবা নিজের নিকটতম কারো স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলেও সব সময় ন্যায়ের পক্ষে থাকতে হবে। মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা ন্যায়ের ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে আল্লাহর জন্য সাক্ষীরূপে। যদিও তা তোমাদের নিজেদের কিংবা মা-বাবার অথবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে হয়।

যদি সে বিত্তশালী হয় কিংবা দরিদ্র, তবে আল্লাহ উভয়ের ঘনিষ্ঠতর। সুতরাং ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে তোমরা প্রবৃত্তির অনুসরণ কোরো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বলো কিংবা এড়িয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমরা যা করো সে বিষয়ে সম্যক অবগত।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৩৫)

আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) এমন একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ চেয়েছেন, যেখানে ধনী-গরিব, শক্তিশালী-দুর্বল সবার প্রাপ্য অধিকার থাকবে। যেখানে কেউ কারো প্রতি জুলুম করবে না। কেউ কারো হক মেরে খাবে না। দুর্বল তার প্রাপ্য আদায়ের জন্য কখনো জোর-জবরদস্তি করতে হবে না। আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, এক বেদুইন নবী (সা.)-এর কাছে এসে তাঁর ঋণ শোধের জন্য তাঁকে কঠোর ভাষায় তাগাদা দিল, এমনকি সে তাকে বলল, আমার ঋণ পরিশোধ না করলে আমি আপনাকে নাজেহাল করব। সাহাবিরা তার ওপর চড়াও হতে উদ্যত হয়ে বললেন, তোমার অনিষ্ট হোক! তুমি কি জানো কার সঙ্গে কথা বলছ? সে বলল, আমি আমার পাওনা দাবি করছি। তখন নবী (সা.) বলেন, তোমরা কেন পাওনাদারের পক্ষ নিলে না? অতঃপর তিনি কায়েসের কন্যা খাওলা (রা.) -এর কাছে লোক পাঠিয়ে তাকে বললেন, তোমার কাছে খেজুর থাকলে আমাকে ধার দাও। আমার খেজুর এলে তোমার ধার পরিশোধ করব। খাওলা (রা.) বললেন, হ্যাঁ, আমার পিতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, ইয়া রাসুলাল্লাহ। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাঁকে ধার দিলেন। তিনি বেদুইনের পাওনা পরিশোধ করলেন এবং তাকে আহার করালেন। তিনি বলেন, উত্তম লোকেরা এমনই হয়। যে জাতির দুর্বল লোকেরা জোর-জবরদস্তি ছাড়া তাদের পাওনা আদায় করতে পারে না, সেই জাতি কখনো পবিত্র হতে পারে না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৪২৬)

তাই আমাদের উচিত সর্বদা ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করা, ন্যায়ের পক্ষে থাকা। মহান আল্লাহকে ভয় করা। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে তাকওয়া অবলম্বনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

Text
myreligionislam
myreligionislam

দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সামাজিক জীবনে ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।

মুমিনজীবনে ইনসাফের গুরুত্ব

দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সামাজিক জীবনে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা না থাকলে জীবনের শৃঙ্খলা বাধাগ্রস্ত হয়। মানুষের পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে অশান্তি সৃষ্টি হয়। পরস্পর শত্রুতা সৃষ্টি হয়।

সমাজে জুলুম প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মানবজাতিকে ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর জন্য ন্যায়ের সঙ্গে সাক্ষ্যদানকারী হিসেবে সদা দণ্ডায়মান হও। কোনো কওমের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদের কোনোভাবে প্ররোচিত না করে যে তোমরা ইনসাফ করবে না।

তোমরা ইনসাফ করো, তা তাকওয়ার নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই তোমরা যা করো, আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।’ (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৮)

অনেকে আছে তাদের জুলুমগুলোকেই ইনসাফ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বিভিন্ন রকম ছলচাতুরীর আশ্রয় নেয়। বিভিন্ন মিথ্যা গল্প সাজায়।

অথচ মহান আল্লাহ আমাদের সব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত, তাই আমরা খোঁড়া যুক্তি দিয়ে নিজেদের পক্ষপাত ও জুলুমকে যতই প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করি না কেন, মহান আল্লাহ আমাদের প্রত্যেকের মনের অবস্থা জানেন। তাই মুমিনের জন্য বক্তিগত স্বার্থে কিংবা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কখনো কোনো অপরাধ ও জুলুমের পক্ষে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই। নিজের কিংবা নিজের নিকটতম কারো স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলেও সব সময় ন্যায়ের পক্ষে থাকতে হবে। মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা ন্যায়ের ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে আল্লাহর জন্য সাক্ষীরূপে। যদিও তা তোমাদের নিজেদের কিংবা মা-বাবার অথবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে হয়।

যদি সে বিত্তশালী হয় কিংবা দরিদ্র, তবে আল্লাহ উভয়ের ঘনিষ্ঠতর। সুতরাং ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে তোমরা প্রবৃত্তির অনুসরণ কোরো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বলো কিংবা এড়িয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমরা যা করো সে বিষয়ে সম্যক অবগত।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৩৫)

আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) এমন একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ চেয়েছেন, যেখানে ধনী-গরিব, শক্তিশালী-দুর্বল সবার প্রাপ্য অধিকার থাকবে। যেখানে কেউ কারো প্রতি জুলুম করবে না। কেউ কারো হক মেরে খাবে না। দুর্বল তার প্রাপ্য আদায়ের জন্য কখনো জোর-জবরদস্তি করতে হবে না। আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, এক বেদুইন নবী (সা.)-এর কাছে এসে তাঁর ঋণ শোধের জন্য তাঁকে কঠোর ভাষায় তাগাদা দিল, এমনকি সে তাকে বলল, আমার ঋণ পরিশোধ না করলে আমি আপনাকে নাজেহাল করব। সাহাবিরা তার ওপর চড়াও হতে উদ্যত হয়ে বললেন, তোমার অনিষ্ট হোক! তুমি কি জানো কার সঙ্গে কথা বলছ? সে বলল, আমি আমার পাওনা দাবি করছি। তখন নবী (সা.) বলেন, তোমরা কেন পাওনাদারের পক্ষ নিলে না? অতঃপর তিনি কায়েসের কন্যা খাওলা (রা.) -এর কাছে লোক পাঠিয়ে তাকে বললেন, তোমার কাছে খেজুর থাকলে আমাকে ধার দাও। আমার খেজুর এলে তোমার ধার পরিশোধ করব। খাওলা (রা.) বললেন, হ্যাঁ, আমার পিতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, ইয়া রাসুলাল্লাহ। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাঁকে ধার দিলেন। তিনি বেদুইনের পাওনা পরিশোধ করলেন এবং তাকে আহার করালেন। তিনি বলেন, উত্তম লোকেরা এমনই হয়। যে জাতির দুর্বল লোকেরা জোর-জবরদস্তি ছাড়া তাদের পাওনা আদায় করতে পারে না, সেই জাতি কখনো পবিত্র হতে পারে না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৪২৬)

তাই আমাদের উচিত সর্বদা ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করা, ন্যায়ের পক্ষে থাকা। মহান আল্লাহকে ভয় করা। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে তাকওয়া অবলম্বনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

Text
mylordisallah
mylordisallah

দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সামাজিক জীবনে ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।

মুমিনজীবনে ইনসাফের গুরুত্ব

দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সামাজিক জীবনে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা না থাকলে জীবনের শৃঙ্খলা বাধাগ্রস্ত হয়। মানুষের পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে অশান্তি সৃষ্টি হয়। পরস্পর শত্রুতা সৃষ্টি হয়।

সমাজে জুলুম প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মানবজাতিকে ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর জন্য ন্যায়ের সঙ্গে সাক্ষ্যদানকারী হিসেবে সদা দণ্ডায়মান হও। কোনো কওমের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদের কোনোভাবে প্ররোচিত না করে যে তোমরা ইনসাফ করবে না।

তোমরা ইনসাফ করো, তা তাকওয়ার নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই তোমরা যা করো, আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।’ (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৮)

অনেকে আছে তাদের জুলুমগুলোকেই ইনসাফ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বিভিন্ন রকম ছলচাতুরীর আশ্রয় নেয়। বিভিন্ন মিথ্যা গল্প সাজায়।

অথচ মহান আল্লাহ আমাদের সব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত, তাই আমরা খোঁড়া যুক্তি দিয়ে নিজেদের পক্ষপাত ও জুলুমকে যতই প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করি না কেন, মহান আল্লাহ আমাদের প্রত্যেকের মনের অবস্থা জানেন। তাই মুমিনের জন্য বক্তিগত স্বার্থে কিংবা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কখনো কোনো অপরাধ ও জুলুমের পক্ষে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই। নিজের কিংবা নিজের নিকটতম কারো স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলেও সব সময় ন্যায়ের পক্ষে থাকতে হবে। মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা ন্যায়ের ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে আল্লাহর জন্য সাক্ষীরূপে। যদিও তা তোমাদের নিজেদের কিংবা মা-বাবার অথবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে হয়।

যদি সে বিত্তশালী হয় কিংবা দরিদ্র, তবে আল্লাহ উভয়ের ঘনিষ্ঠতর। সুতরাং ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে তোমরা প্রবৃত্তির অনুসরণ কোরো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বলো কিংবা এড়িয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমরা যা করো সে বিষয়ে সম্যক অবগত।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৩৫)

আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) এমন একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ চেয়েছেন, যেখানে ধনী-গরিব, শক্তিশালী-দুর্বল সবার প্রাপ্য অধিকার থাকবে। যেখানে কেউ কারো প্রতি জুলুম করবে না। কেউ কারো হক মেরে খাবে না। দুর্বল তার প্রাপ্য আদায়ের জন্য কখনো জোর-জবরদস্তি করতে হবে না। আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, এক বেদুইন নবী (সা.)-এর কাছে এসে তাঁর ঋণ শোধের জন্য তাঁকে কঠোর ভাষায় তাগাদা দিল, এমনকি সে তাকে বলল, আমার ঋণ পরিশোধ না করলে আমি আপনাকে নাজেহাল করব। সাহাবিরা তার ওপর চড়াও হতে উদ্যত হয়ে বললেন, তোমার অনিষ্ট হোক! তুমি কি জানো কার সঙ্গে কথা বলছ? সে বলল, আমি আমার পাওনা দাবি করছি। তখন নবী (সা.) বলেন, তোমরা কেন পাওনাদারের পক্ষ নিলে না? অতঃপর তিনি কায়েসের কন্যা খাওলা (রা.) -এর কাছে লোক পাঠিয়ে তাকে বললেন, তোমার কাছে খেজুর থাকলে আমাকে ধার দাও। আমার খেজুর এলে তোমার ধার পরিশোধ করব। খাওলা (রা.) বললেন, হ্যাঁ, আমার পিতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, ইয়া রাসুলাল্লাহ। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাঁকে ধার দিলেন। তিনি বেদুইনের পাওনা পরিশোধ করলেন এবং তাকে আহার করালেন। তিনি বলেন, উত্তম লোকেরা এমনই হয়। যে জাতির দুর্বল লোকেরা জোর-জবরদস্তি ছাড়া তাদের পাওনা আদায় করতে পারে না, সেই জাতি কখনো পবিত্র হতে পারে না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৪২৬)

তাই আমাদের উচিত সর্বদা ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করা, ন্যায়ের পক্ষে থাকা। মহান আল্লাহকে ভয় করা। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে তাকওয়া অবলম্বনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

Text
allahisourrabb
allahisourrabb

দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সামাজিক জীবনে ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।

মুমিনজীবনে ইনসাফের গুরুত্ব

দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সামাজিক জীবনে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা না থাকলে জীবনের শৃঙ্খলা বাধাগ্রস্ত হয়। মানুষের পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে অশান্তি সৃষ্টি হয়। পরস্পর শত্রুতা সৃষ্টি হয়।

সমাজে জুলুম প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ মানবজাতিকে ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর জন্য ন্যায়ের সঙ্গে সাক্ষ্যদানকারী হিসেবে সদা দণ্ডায়মান হও। কোনো কওমের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদের কোনোভাবে প্ররোচিত না করে যে তোমরা ইনসাফ করবে না।

তোমরা ইনসাফ করো, তা তাকওয়ার নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই তোমরা যা করো, আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।’ (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৮)

অনেকে আছে তাদের জুলুমগুলোকেই ইনসাফ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বিভিন্ন রকম ছলচাতুরীর আশ্রয় নেয়। বিভিন্ন মিথ্যা গল্প সাজায়।

অথচ মহান আল্লাহ আমাদের সব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত, তাই আমরা খোঁড়া যুক্তি দিয়ে নিজেদের পক্ষপাত ও জুলুমকে যতই প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করি না কেন, মহান আল্লাহ আমাদের প্রত্যেকের মনের অবস্থা জানেন। তাই মুমিনের জন্য বক্তিগত স্বার্থে কিংবা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কখনো কোনো অপরাধ ও জুলুমের পক্ষে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই। নিজের কিংবা নিজের নিকটতম কারো স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলেও সব সময় ন্যায়ের পক্ষে থাকতে হবে। মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা ন্যায়ের ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে আল্লাহর জন্য সাক্ষীরূপে। যদিও তা তোমাদের নিজেদের কিংবা মা-বাবার অথবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে হয়।

যদি সে বিত্তশালী হয় কিংবা দরিদ্র, তবে আল্লাহ উভয়ের ঘনিষ্ঠতর। সুতরাং ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে তোমরা প্রবৃত্তির অনুসরণ কোরো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বলো কিংবা এড়িয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমরা যা করো সে বিষয়ে সম্যক অবগত।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৩৫)

আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) এমন একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ চেয়েছেন, যেখানে ধনী-গরিব, শক্তিশালী-দুর্বল সবার প্রাপ্য অধিকার থাকবে। যেখানে কেউ কারো প্রতি জুলুম করবে না। কেউ কারো হক মেরে খাবে না। দুর্বল তার প্রাপ্য আদায়ের জন্য কখনো জোর-জবরদস্তি করতে হবে না। আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, এক বেদুইন নবী (সা.)-এর কাছে এসে তাঁর ঋণ শোধের জন্য তাঁকে কঠোর ভাষায় তাগাদা দিল, এমনকি সে তাকে বলল, আমার ঋণ পরিশোধ না করলে আমি আপনাকে নাজেহাল করব। সাহাবিরা তার ওপর চড়াও হতে উদ্যত হয়ে বললেন, তোমার অনিষ্ট হোক! তুমি কি জানো কার সঙ্গে কথা বলছ? সে বলল, আমি আমার পাওনা দাবি করছি। তখন নবী (সা.) বলেন, তোমরা কেন পাওনাদারের পক্ষ নিলে না? অতঃপর তিনি কায়েসের কন্যা খাওলা (রা.) -এর কাছে লোক পাঠিয়ে তাকে বললেন, তোমার কাছে খেজুর থাকলে আমাকে ধার দাও। আমার খেজুর এলে তোমার ধার পরিশোধ করব। খাওলা (রা.) বললেন, হ্যাঁ, আমার পিতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, ইয়া রাসুলাল্লাহ। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাঁকে ধার দিলেন। তিনি বেদুইনের পাওনা পরিশোধ করলেন এবং তাকে আহার করালেন। তিনি বলেন, উত্তম লোকেরা এমনই হয়। যে জাতির দুর্বল লোকেরা জোর-জবরদস্তি ছাড়া তাদের পাওনা আদায় করতে পারে না, সেই জাতি কখনো পবিত্র হতে পারে না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৪২৬)

তাই আমাদের উচিত সর্বদা ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করা, ন্যায়ের পক্ষে থাকা। মহান আল্লাহকে ভয় করা। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে তাকওয়া অবলম্বনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

Text
quransunnahdawah
quransunnahdawah

ইনসাফ কারী কে আল্লাহ ভালোবাসেন

ইনসাফকারী কে আল্লাহ ভালোবাসেন

আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন, অর্থাৎ যারা মানুষের মাঝে, এমনকি নিজেদের বিরুদ্ধে বা প্রিয়জনদের বিরুদ্ধেও সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে, এমনকি কঠিন পরিস্থিতিতেও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখে, তাদের আল্লাহ ভালোবাসেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা ইনসাফ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা হুজুরাত: ৯)। 

ইনসাফকারী হওয়ার কিছু বৈশিষ্ট্য:

  • সুবিচার প্রতিষ্ঠা: মানুষের মধ্যে, বিশেষ করে বিচার বা মীমাংসার ক্ষেত্রে, ইনসাফ (ন্যায়) প্রতিষ্ঠা করা।
  • ন্যায়পরায়ণতা: নিজের পক্ষে বা বিপক্ষে, ধনী বা গরীব সবার সাথে সমান ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ করা।
  • সততা: শত্রু বা প্রতিপক্ষের সাথেও ন্যায় ও ইনসাফ বজায় রাখা, যদিও ঘৃণা বা বিদ্বেষ থাকে।
  • আল্লাহর আনুগত্য: তাকওয়া (আল্লাহভীরুতা) ও সৎকর্মের মাধ্যমে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা, যা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে। 

সংক্ষেপে, যে ব্যক্তি যেকোনো পরিস্থিতিতে, নিজের স্বার্থ বা আবেগ উপেক্ষা করে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ন্যায়বিচার করে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন। 

ইনসাফকারীকে আল্লাহ্‌ ভালোবাসেন

আল্লাহ্ ইনসাফকারীকে ভালোবাসেন; পবিত্র কুরআনের সূরা হুজুরাতের ৯ নম্বর আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “তোমরা ইনসাফ কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা হুজুরাত:৯), যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সকলের প্রতি সমতা ও ইনসাফের সাথে আচরণ করার গুরুত্ব তুলে ধরে। আল্লাহ্ শুধু ইনসাফকেই নয়, তওবা, পবিত্রতা, তাকওয়া (পরহেজগারী), ইহসান (সদাচার), ধৈর্য, আল্লাহর উপর ভরসা, ও সৎকর্মশীলদেরও ভালোবাসেন। 

ইনসাফ বলতে কী বোঝায়?

  • ন্যায়বিচার: যে কোনো পরিস্থিতিতে, বিশেষত বিরোধ মীমাংসার সময়, সত্য ও ন্যায়ের ওপর অটল থাকা এবং কারো প্রতি পক্ষপাতিত্ব না করা।
  • সদাচরণ: কুরআনে বলা হয়েছে, “তোমরা ভালো কাজ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা আল-বাকারা:১৯৫)।
  • সমান আচরণ: বিশ্বাসীদের দুটি দল যুদ্ধে লিপ্ত হলে তাদের মধ্যে ইনসাফের সাথে আপস করিয়ে দেওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। 

আল্লাহ্ আরও যাদের ভালোবাসেন:

  • তওবাকারী (যারা বেশি বেশি তওবা করে): "আল্লাহ্ তাদের ভালোবাসেন, যারা বেশি বেশি তওবা করে" (সূরা আল-বাকারা:২২২)।
  • পবিত্র ও পরিচ্ছন্নতাকারী: "আল্লাহ্ তাদের ভালোবাসেন, যারা নিজেদের পবিত্র রাখে" (সূরা আল-বাকারা:২২২)।
  • পরহেজগার (মুত্তাকি): "নিশ্চয় আল্লাহ্ মুত্তাকিদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-বাকারা:৭:৭৬)।
  • সদাচারী (যারা ভালো কাজ করে): "আর আল্লাহ্ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-বাকারা:১৯৫, সূরা আল-মা-ইদা:৯৩)।
  • আল্লাহর উপর নির্ভরশীল: যারা সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা করে।
  • ধৈর্যশীল: "আর আল্লাহ্ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-ইমরান:১৪৬)। 

সুতরাং, ইনসাফ বা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আল্লাহর ভালোবাসার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এবং এটি তাঁর প্রিয় বান্দাদের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

ইনসাফ সম্পর্কে হাদিস

ইনসাফ (ন্যায়বিচার) সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ আরবি হাদিস হলো: «إنَّ المُقْسِطِينَ عِنْدَ اللهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ: الَّذِينَ يَعْدِلُونَ فِي حُكْمِهِمْ وَأَهْلِيْهِم وَمَا وَلُوْا» (মুসলিমে বর্ণিত), যার অর্থ, “নিশ্চয় ন্যায়বিচারকগণ আল্লাহর কাছে নূরের মিম্বরের উপর থাকবে, যারা তাদের বিচার, পরিবার এবং যা কিছু তাদের অধীনে আছে, সে সব বিষয়ে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে"। এছাড়া, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “إنَّ اللّٰهَ یَاۡمُرُ بِالۡعَدۡلِ وَ الۡاِحۡسَانِ” (নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফ ও সদাচারের নির্দেশ দেন) যা কুরআনের একটি আয়াত এবং ইনসাফের মূল ভিত্তি। 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ আয়াত ও হাদিস:

১. কুরআন:
* "হে ঈমানদারগণ! তোমরা ন্যায়ের সাক্ষ্যদাতা হিসেবে আল্লাহর জন্য দৃঢ়ভাবে দণ্ডায়মান থাক, কোন সম্প্রদায়ের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদেরকে ইনসাফ করা থেকে বিরত না রাখে। ইনসাফ কর, তা তাকওয়ার নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।” (সূরা আল-মায়িদাহ: ৮)
* “যখন তোমরা মানুষের মাঝে বিচার করবে তখন ইনসাফের ভিত্তিতে সুবিচার করো।” (সূরা নিসা: ৫৮) 

২. হাদিস:
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত: «إنَّ المُقْسِطِينَ عِنْدَ اللهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ: الَّذِينَ يَعْدِلُونَ في حُكْمِهِمْ وأَهْلِيْهِم وَمَا وَلُوْا» (মুসলিমে)।
অন্যান্য: ইনসাফ প্রতিষ্ঠা, এমনকি নিজের বিরুদ্ধে হলেও, এবং আত্মীয়-স্বজন ও ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলের প্রতি সমান আচরণ করা ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বিভিন্ন আয়াত ও হাদিসে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। 

এই আয়াত ও হাদিসগুলো প্রমাণ করে যে ইসলামে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার একটি মৌলিক স্তম্ভ, যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে অপরিহার্য। 

ইনসাফকারীকে আল্লাহ ভালোবাসেন

Allah loves those who are just.

Text
tawhidrisalatakhirah
tawhidrisalatakhirah

ইনসাফ কারী কে আল্লাহ ভালোবাসেন

ইনসাফকারী কে আল্লাহ ভালোবাসেন

আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন, অর্থাৎ যারা মানুষের মাঝে, এমনকি নিজেদের বিরুদ্ধে বা প্রিয়জনদের বিরুদ্ধেও সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে, এমনকি কঠিন পরিস্থিতিতেও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখে, তাদের আল্লাহ ভালোবাসেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা ইনসাফ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা হুজুরাত: ৯)। 

ইনসাফকারী হওয়ার কিছু বৈশিষ্ট্য:

  • সুবিচার প্রতিষ্ঠা: মানুষের মধ্যে, বিশেষ করে বিচার বা মীমাংসার ক্ষেত্রে, ইনসাফ (ন্যায়) প্রতিষ্ঠা করা।
  • ন্যায়পরায়ণতা: নিজের পক্ষে বা বিপক্ষে, ধনী বা গরীব সবার সাথে সমান ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ করা।
  • সততা: শত্রু বা প্রতিপক্ষের সাথেও ন্যায় ও ইনসাফ বজায় রাখা, যদিও ঘৃণা বা বিদ্বেষ থাকে।
  • আল্লাহর আনুগত্য: তাকওয়া (আল্লাহভীরুতা) ও সৎকর্মের মাধ্যমে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা, যা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে। 

সংক্ষেপে, যে ব্যক্তি যেকোনো পরিস্থিতিতে, নিজের স্বার্থ বা আবেগ উপেক্ষা করে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ন্যায়বিচার করে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন। 

ইনসাফকারীকে আল্লাহ্‌ ভালোবাসেন

আল্লাহ্ ইনসাফকারীকে ভালোবাসেন; পবিত্র কুরআনের সূরা হুজুরাতের ৯ নম্বর আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “তোমরা ইনসাফ কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা হুজুরাত:৯), যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সকলের প্রতি সমতা ও ইনসাফের সাথে আচরণ করার গুরুত্ব তুলে ধরে। আল্লাহ্ শুধু ইনসাফকেই নয়, তওবা, পবিত্রতা, তাকওয়া (পরহেজগারী), ইহসান (সদাচার), ধৈর্য, আল্লাহর উপর ভরসা, ও সৎকর্মশীলদেরও ভালোবাসেন। 

ইনসাফ বলতে কী বোঝায়?

  • ন্যায়বিচার: যে কোনো পরিস্থিতিতে, বিশেষত বিরোধ মীমাংসার সময়, সত্য ও ন্যায়ের ওপর অটল থাকা এবং কারো প্রতি পক্ষপাতিত্ব না করা।
  • সদাচরণ: কুরআনে বলা হয়েছে, “তোমরা ভালো কাজ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা আল-বাকারা:১৯৫)।
  • সমান আচরণ: বিশ্বাসীদের দুটি দল যুদ্ধে লিপ্ত হলে তাদের মধ্যে ইনসাফের সাথে আপস করিয়ে দেওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। 

আল্লাহ্ আরও যাদের ভালোবাসেন:

  • তওবাকারী (যারা বেশি বেশি তওবা করে): "আল্লাহ্ তাদের ভালোবাসেন, যারা বেশি বেশি তওবা করে" (সূরা আল-বাকারা:২২২)।
  • পবিত্র ও পরিচ্ছন্নতাকারী: "আল্লাহ্ তাদের ভালোবাসেন, যারা নিজেদের পবিত্র রাখে" (সূরা আল-বাকারা:২২২)।
  • পরহেজগার (মুত্তাকি): "নিশ্চয় আল্লাহ্ মুত্তাকিদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-বাকারা:৭:৭৬)।
  • সদাচারী (যারা ভালো কাজ করে): "আর আল্লাহ্ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-বাকারা:১৯৫, সূরা আল-মা-ইদা:৯৩)।
  • আল্লাহর উপর নির্ভরশীল: যারা সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা করে।
  • ধৈর্যশীল: "আর আল্লাহ্ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-ইমরান:১৪৬)। 

সুতরাং, ইনসাফ বা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আল্লাহর ভালোবাসার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এবং এটি তাঁর প্রিয় বান্দাদের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

ইনসাফ সম্পর্কে হাদিস

ইনসাফ (ন্যায়বিচার) সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ আরবি হাদিস হলো: «إنَّ المُقْسِطِينَ عِنْدَ اللهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ: الَّذِينَ يَعْدِلُونَ فِي حُكْمِهِمْ وَأَهْلِيْهِم وَمَا وَلُوْا» (মুসলিমে বর্ণিত), যার অর্থ, “নিশ্চয় ন্যায়বিচারকগণ আল্লাহর কাছে নূরের মিম্বরের উপর থাকবে, যারা তাদের বিচার, পরিবার এবং যা কিছু তাদের অধীনে আছে, সে সব বিষয়ে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে"। এছাড়া, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “إنَّ اللّٰهَ یَاۡمُرُ بِالۡعَدۡلِ وَ الۡاِحۡسَانِ” (নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফ ও সদাচারের নির্দেশ দেন) যা কুরআনের একটি আয়াত এবং ইনসাফের মূল ভিত্তি। 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ আয়াত ও হাদিস:

১. কুরআন:
* "হে ঈমানদারগণ! তোমরা ন্যায়ের সাক্ষ্যদাতা হিসেবে আল্লাহর জন্য দৃঢ়ভাবে দণ্ডায়মান থাক, কোন সম্প্রদায়ের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদেরকে ইনসাফ করা থেকে বিরত না রাখে। ইনসাফ কর, তা তাকওয়ার নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।” (সূরা আল-মায়িদাহ: ৮)
* “যখন তোমরা মানুষের মাঝে বিচার করবে তখন ইনসাফের ভিত্তিতে সুবিচার করো।” (সূরা নিসা: ৫৮) 

২. হাদিস:
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত: «إنَّ المُقْسِطِينَ عِنْدَ اللهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ: الَّذِينَ يَعْدِلُونَ في حُكْمِهِمْ وأَهْلِيْهِم وَمَا وَلُوْا» (মুসলিমে)।
অন্যান্য: ইনসাফ প্রতিষ্ঠা, এমনকি নিজের বিরুদ্ধে হলেও, এবং আত্মীয়-স্বজন ও ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলের প্রতি সমান আচরণ করা ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বিভিন্ন আয়াত ও হাদিসে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। 

এই আয়াত ও হাদিসগুলো প্রমাণ করে যে ইসলামে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার একটি মৌলিক স্তম্ভ, যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে অপরিহার্য। 

ইনসাফকারীকে আল্লাহ ভালোবাসেন

Allah loves those who are just.

Text
ilyforallahswt
ilyforallahswt

ইনসাফ কারী কে আল্লাহ ভালোবাসেন

ইনসাফকারী কে আল্লাহ ভালোবাসেন

আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন, অর্থাৎ যারা মানুষের মাঝে, এমনকি নিজেদের বিরুদ্ধে বা প্রিয়জনদের বিরুদ্ধেও সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে, এমনকি কঠিন পরিস্থিতিতেও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখে, তাদের আল্লাহ ভালোবাসেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা ইনসাফ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা হুজুরাত: ৯)। 

ইনসাফকারী হওয়ার কিছু বৈশিষ্ট্য:

  • সুবিচার প্রতিষ্ঠা: মানুষের মধ্যে, বিশেষ করে বিচার বা মীমাংসার ক্ষেত্রে, ইনসাফ (ন্যায়) প্রতিষ্ঠা করা।
  • ন্যায়পরায়ণতা: নিজের পক্ষে বা বিপক্ষে, ধনী বা গরীব সবার সাথে সমান ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ করা।
  • সততা: শত্রু বা প্রতিপক্ষের সাথেও ন্যায় ও ইনসাফ বজায় রাখা, যদিও ঘৃণা বা বিদ্বেষ থাকে।
  • আল্লাহর আনুগত্য: তাকওয়া (আল্লাহভীরুতা) ও সৎকর্মের মাধ্যমে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা, যা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে। 

সংক্ষেপে, যে ব্যক্তি যেকোনো পরিস্থিতিতে, নিজের স্বার্থ বা আবেগ উপেক্ষা করে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ন্যায়বিচার করে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন। 

ইনসাফকারীকে আল্লাহ্‌ ভালোবাসেন

আল্লাহ্ ইনসাফকারীকে ভালোবাসেন; পবিত্র কুরআনের সূরা হুজুরাতের ৯ নম্বর আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “তোমরা ইনসাফ কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা হুজুরাত:৯), যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সকলের প্রতি সমতা ও ইনসাফের সাথে আচরণ করার গুরুত্ব তুলে ধরে। আল্লাহ্ শুধু ইনসাফকেই নয়, তওবা, পবিত্রতা, তাকওয়া (পরহেজগারী), ইহসান (সদাচার), ধৈর্য, আল্লাহর উপর ভরসা, ও সৎকর্মশীলদেরও ভালোবাসেন। 

ইনসাফ বলতে কী বোঝায়?

  • ন্যায়বিচার: যে কোনো পরিস্থিতিতে, বিশেষত বিরোধ মীমাংসার সময়, সত্য ও ন্যায়ের ওপর অটল থাকা এবং কারো প্রতি পক্ষপাতিত্ব না করা।
  • সদাচরণ: কুরআনে বলা হয়েছে, “তোমরা ভালো কাজ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা আল-বাকারা:১৯৫)।
  • সমান আচরণ: বিশ্বাসীদের দুটি দল যুদ্ধে লিপ্ত হলে তাদের মধ্যে ইনসাফের সাথে আপস করিয়ে দেওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। 

আল্লাহ্ আরও যাদের ভালোবাসেন:

  • তওবাকারী (যারা বেশি বেশি তওবা করে): "আল্লাহ্ তাদের ভালোবাসেন, যারা বেশি বেশি তওবা করে" (সূরা আল-বাকারা:২২২)।
  • পবিত্র ও পরিচ্ছন্নতাকারী: "আল্লাহ্ তাদের ভালোবাসেন, যারা নিজেদের পবিত্র রাখে" (সূরা আল-বাকারা:২২২)।
  • পরহেজগার (মুত্তাকি): "নিশ্চয় আল্লাহ্ মুত্তাকিদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-বাকারা:৭:৭৬)।
  • সদাচারী (যারা ভালো কাজ করে): "আর আল্লাহ্ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-বাকারা:১৯৫, সূরা আল-মা-ইদা:৯৩)।
  • আল্লাহর উপর নির্ভরশীল: যারা সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা করে।
  • ধৈর্যশীল: "আর আল্লাহ্ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-ইমরান:১৪৬)। 

সুতরাং, ইনসাফ বা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আল্লাহর ভালোবাসার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এবং এটি তাঁর প্রিয় বান্দাদের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

ইনসাফ সম্পর্কে হাদিস

ইনসাফ (ন্যায়বিচার) সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ আরবি হাদিস হলো: «إنَّ المُقْسِطِينَ عِنْدَ اللهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ: الَّذِينَ يَعْدِلُونَ فِي حُكْمِهِمْ وَأَهْلِيْهِم وَمَا وَلُوْا» (মুসলিমে বর্ণিত), যার অর্থ, “নিশ্চয় ন্যায়বিচারকগণ আল্লাহর কাছে নূরের মিম্বরের উপর থাকবে, যারা তাদের বিচার, পরিবার এবং যা কিছু তাদের অধীনে আছে, সে সব বিষয়ে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে"। এছাড়া, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “إنَّ اللّٰهَ یَاۡمُرُ بِالۡعَدۡلِ وَ الۡاِحۡسَانِ” (নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফ ও সদাচারের নির্দেশ দেন) যা কুরআনের একটি আয়াত এবং ইনসাফের মূল ভিত্তি। 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ আয়াত ও হাদিস:

১. কুরআন:
* "হে ঈমানদারগণ! তোমরা ন্যায়ের সাক্ষ্যদাতা হিসেবে আল্লাহর জন্য দৃঢ়ভাবে দণ্ডায়মান থাক, কোন সম্প্রদায়ের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদেরকে ইনসাফ করা থেকে বিরত না রাখে। ইনসাফ কর, তা তাকওয়ার নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।” (সূরা আল-মায়িদাহ: ৮)
* “যখন তোমরা মানুষের মাঝে বিচার করবে তখন ইনসাফের ভিত্তিতে সুবিচার করো।” (সূরা নিসা: ৫৮) 

২. হাদিস:
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত: «إنَّ المُقْسِطِينَ عِنْدَ اللهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ: الَّذِينَ يَعْدِلُونَ في حُكْمِهِمْ وأَهْلِيْهِم وَمَا وَلُوْا» (মুসলিমে)।
অন্যান্য: ইনসাফ প্রতিষ্ঠা, এমনকি নিজের বিরুদ্ধে হলেও, এবং আত্মীয়-স্বজন ও ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলের প্রতি সমান আচরণ করা ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বিভিন্ন আয়াত ও হাদিসে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। 

এই আয়াত ও হাদিসগুলো প্রমাণ করে যে ইসলামে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার একটি মৌলিক স্তম্ভ, যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে অপরিহার্য। 

ইনসাফকারীকে আল্লাহ ভালোবাসেন

Allah loves those who are just.

Text
myreligionislam
myreligionislam

ইনসাফ কারী কে আল্লাহ ভালোবাসেন

ইনসাফকারী কে আল্লাহ ভালোবাসেন

আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন, অর্থাৎ যারা মানুষের মাঝে, এমনকি নিজেদের বিরুদ্ধে বা প্রিয়জনদের বিরুদ্ধেও সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে, এমনকি কঠিন পরিস্থিতিতেও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখে, তাদের আল্লাহ ভালোবাসেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা ইনসাফ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা হুজুরাত: ৯)। 

ইনসাফকারী হওয়ার কিছু বৈশিষ্ট্য:

  • সুবিচার প্রতিষ্ঠা: মানুষের মধ্যে, বিশেষ করে বিচার বা মীমাংসার ক্ষেত্রে, ইনসাফ (ন্যায়) প্রতিষ্ঠা করা।
  • ন্যায়পরায়ণতা: নিজের পক্ষে বা বিপক্ষে, ধনী বা গরীব সবার সাথে সমান ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ করা।
  • সততা: শত্রু বা প্রতিপক্ষের সাথেও ন্যায় ও ইনসাফ বজায় রাখা, যদিও ঘৃণা বা বিদ্বেষ থাকে।
  • আল্লাহর আনুগত্য: তাকওয়া (আল্লাহভীরুতা) ও সৎকর্মের মাধ্যমে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা, যা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে। 

সংক্ষেপে, যে ব্যক্তি যেকোনো পরিস্থিতিতে, নিজের স্বার্থ বা আবেগ উপেক্ষা করে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ন্যায়বিচার করে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন। 

ইনসাফকারীকে আল্লাহ্‌ ভালোবাসেন

আল্লাহ্ ইনসাফকারীকে ভালোবাসেন; পবিত্র কুরআনের সূরা হুজুরাতের ৯ নম্বর আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “তোমরা ইনসাফ কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা হুজুরাত:৯), যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সকলের প্রতি সমতা ও ইনসাফের সাথে আচরণ করার গুরুত্ব তুলে ধরে। আল্লাহ্ শুধু ইনসাফকেই নয়, তওবা, পবিত্রতা, তাকওয়া (পরহেজগারী), ইহসান (সদাচার), ধৈর্য, আল্লাহর উপর ভরসা, ও সৎকর্মশীলদেরও ভালোবাসেন। 

ইনসাফ বলতে কী বোঝায়?

  • ন্যায়বিচার: যে কোনো পরিস্থিতিতে, বিশেষত বিরোধ মীমাংসার সময়, সত্য ও ন্যায়ের ওপর অটল থাকা এবং কারো প্রতি পক্ষপাতিত্ব না করা।
  • সদাচরণ: কুরআনে বলা হয়েছে, “তোমরা ভালো কাজ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা আল-বাকারা:১৯৫)।
  • সমান আচরণ: বিশ্বাসীদের দুটি দল যুদ্ধে লিপ্ত হলে তাদের মধ্যে ইনসাফের সাথে আপস করিয়ে দেওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। 

আল্লাহ্ আরও যাদের ভালোবাসেন:

  • তওবাকারী (যারা বেশি বেশি তওবা করে): "আল্লাহ্ তাদের ভালোবাসেন, যারা বেশি বেশি তওবা করে" (সূরা আল-বাকারা:২২২)।
  • পবিত্র ও পরিচ্ছন্নতাকারী: "আল্লাহ্ তাদের ভালোবাসেন, যারা নিজেদের পবিত্র রাখে" (সূরা আল-বাকারা:২২২)।
  • পরহেজগার (মুত্তাকি): "নিশ্চয় আল্লাহ্ মুত্তাকিদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-বাকারা:৭:৭৬)।
  • সদাচারী (যারা ভালো কাজ করে): "আর আল্লাহ্ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-বাকারা:১৯৫, সূরা আল-মা-ইদা:৯৩)।
  • আল্লাহর উপর নির্ভরশীল: যারা সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা করে।
  • ধৈর্যশীল: "আর আল্লাহ্ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-ইমরান:১৪৬)। 

সুতরাং, ইনসাফ বা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আল্লাহর ভালোবাসার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এবং এটি তাঁর প্রিয় বান্দাদের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

ইনসাফ সম্পর্কে হাদিস

ইনসাফ (ন্যায়বিচার) সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ আরবি হাদিস হলো: «إنَّ المُقْسِطِينَ عِنْدَ اللهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ: الَّذِينَ يَعْدِلُونَ فِي حُكْمِهِمْ وَأَهْلِيْهِم وَمَا وَلُوْا» (মুসলিমে বর্ণিত), যার অর্থ, “নিশ্চয় ন্যায়বিচারকগণ আল্লাহর কাছে নূরের মিম্বরের উপর থাকবে, যারা তাদের বিচার, পরিবার এবং যা কিছু তাদের অধীনে আছে, সে সব বিষয়ে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে"। এছাড়া, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “إنَّ اللّٰهَ یَاۡمُرُ بِالۡعَدۡلِ وَ الۡاِحۡسَانِ” (নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফ ও সদাচারের নির্দেশ দেন) যা কুরআনের একটি আয়াত এবং ইনসাফের মূল ভিত্তি। 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ আয়াত ও হাদিস:

১. কুরআন:
* "হে ঈমানদারগণ! তোমরা ন্যায়ের সাক্ষ্যদাতা হিসেবে আল্লাহর জন্য দৃঢ়ভাবে দণ্ডায়মান থাক, কোন সম্প্রদায়ের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদেরকে ইনসাফ করা থেকে বিরত না রাখে। ইনসাফ কর, তা তাকওয়ার নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।” (সূরা আল-মায়িদাহ: ৮)
* “যখন তোমরা মানুষের মাঝে বিচার করবে তখন ইনসাফের ভিত্তিতে সুবিচার করো।” (সূরা নিসা: ৫৮) 

২. হাদিস:
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত: «إنَّ المُقْسِطِينَ عِنْدَ اللهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ: الَّذِينَ يَعْدِلُونَ في حُكْمِهِمْ وأَهْلِيْهِم وَمَا وَلُوْا» (মুসলিমে)।
অন্যান্য: ইনসাফ প্রতিষ্ঠা, এমনকি নিজের বিরুদ্ধে হলেও, এবং আত্মীয়-স্বজন ও ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলের প্রতি সমান আচরণ করা ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বিভিন্ন আয়াত ও হাদিসে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। 

এই আয়াত ও হাদিসগুলো প্রমাণ করে যে ইসলামে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার একটি মৌলিক স্তম্ভ, যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে অপরিহার্য। 

ইনসাফকারীকে আল্লাহ ভালোবাসেন

Allah loves those who are just.

Text
mylordisallah
mylordisallah

ইনসাফ কারী কে আল্লাহ ভালোবাসেন

ইনসাফকারী কে আল্লাহ ভালোবাসেন

আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন, অর্থাৎ যারা মানুষের মাঝে, এমনকি নিজেদের বিরুদ্ধে বা প্রিয়জনদের বিরুদ্ধেও সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে, এমনকি কঠিন পরিস্থিতিতেও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখে, তাদের আল্লাহ ভালোবাসেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা ইনসাফ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা হুজুরাত: ৯)। 

ইনসাফকারী হওয়ার কিছু বৈশিষ্ট্য:

  • সুবিচার প্রতিষ্ঠা: মানুষের মধ্যে, বিশেষ করে বিচার বা মীমাংসার ক্ষেত্রে, ইনসাফ (ন্যায়) প্রতিষ্ঠা করা।
  • ন্যায়পরায়ণতা: নিজের পক্ষে বা বিপক্ষে, ধনী বা গরীব সবার সাথে সমান ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ করা।
  • সততা: শত্রু বা প্রতিপক্ষের সাথেও ন্যায় ও ইনসাফ বজায় রাখা, যদিও ঘৃণা বা বিদ্বেষ থাকে।
  • আল্লাহর আনুগত্য: তাকওয়া (আল্লাহভীরুতা) ও সৎকর্মের মাধ্যমে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা, যা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে। 

সংক্ষেপে, যে ব্যক্তি যেকোনো পরিস্থিতিতে, নিজের স্বার্থ বা আবেগ উপেক্ষা করে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ন্যায়বিচার করে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন। 

ইনসাফকারীকে আল্লাহ্‌ ভালোবাসেন

আল্লাহ্ ইনসাফকারীকে ভালোবাসেন; পবিত্র কুরআনের সূরা হুজুরাতের ৯ নম্বর আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “তোমরা ইনসাফ কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা হুজুরাত:৯), যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সকলের প্রতি সমতা ও ইনসাফের সাথে আচরণ করার গুরুত্ব তুলে ধরে। আল্লাহ্ শুধু ইনসাফকেই নয়, তওবা, পবিত্রতা, তাকওয়া (পরহেজগারী), ইহসান (সদাচার), ধৈর্য, আল্লাহর উপর ভরসা, ও সৎকর্মশীলদেরও ভালোবাসেন। 

ইনসাফ বলতে কী বোঝায়?

  • ন্যায়বিচার: যে কোনো পরিস্থিতিতে, বিশেষত বিরোধ মীমাংসার সময়, সত্য ও ন্যায়ের ওপর অটল থাকা এবং কারো প্রতি পক্ষপাতিত্ব না করা।
  • সদাচরণ: কুরআনে বলা হয়েছে, “তোমরা ভালো কাজ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা আল-বাকারা:১৯৫)।
  • সমান আচরণ: বিশ্বাসীদের দুটি দল যুদ্ধে লিপ্ত হলে তাদের মধ্যে ইনসাফের সাথে আপস করিয়ে দেওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। 

আল্লাহ্ আরও যাদের ভালোবাসেন:

  • তওবাকারী (যারা বেশি বেশি তওবা করে): "আল্লাহ্ তাদের ভালোবাসেন, যারা বেশি বেশি তওবা করে" (সূরা আল-বাকারা:২২২)।
  • পবিত্র ও পরিচ্ছন্নতাকারী: "আল্লাহ্ তাদের ভালোবাসেন, যারা নিজেদের পবিত্র রাখে" (সূরা আল-বাকারা:২২২)।
  • পরহেজগার (মুত্তাকি): "নিশ্চয় আল্লাহ্ মুত্তাকিদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-বাকারা:৭:৭৬)।
  • সদাচারী (যারা ভালো কাজ করে): "আর আল্লাহ্ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-বাকারা:১৯৫, সূরা আল-মা-ইদা:৯৩)।
  • আল্লাহর উপর নির্ভরশীল: যারা সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা করে।
  • ধৈর্যশীল: "আর আল্লাহ্ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-ইমরান:১৪৬)। 

সুতরাং, ইনসাফ বা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আল্লাহর ভালোবাসার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এবং এটি তাঁর প্রিয় বান্দাদের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

ইনসাফ সম্পর্কে হাদিস

ইনসাফ (ন্যায়বিচার) সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ আরবি হাদিস হলো: «إنَّ المُقْسِطِينَ عِنْدَ اللهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ: الَّذِينَ يَعْدِلُونَ فِي حُكْمِهِمْ وَأَهْلِيْهِم وَمَا وَلُوْا» (মুসলিমে বর্ণিত), যার অর্থ, “নিশ্চয় ন্যায়বিচারকগণ আল্লাহর কাছে নূরের মিম্বরের উপর থাকবে, যারা তাদের বিচার, পরিবার এবং যা কিছু তাদের অধীনে আছে, সে সব বিষয়ে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে"। এছাড়া, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “إنَّ اللّٰهَ یَاۡمُرُ بِالۡعَدۡلِ وَ الۡاِحۡسَانِ” (নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফ ও সদাচারের নির্দেশ দেন) যা কুরআনের একটি আয়াত এবং ইনসাফের মূল ভিত্তি। 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ আয়াত ও হাদিস:

১. কুরআন:
* "হে ঈমানদারগণ! তোমরা ন্যায়ের সাক্ষ্যদাতা হিসেবে আল্লাহর জন্য দৃঢ়ভাবে দণ্ডায়মান থাক, কোন সম্প্রদায়ের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদেরকে ইনসাফ করা থেকে বিরত না রাখে। ইনসাফ কর, তা তাকওয়ার নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।” (সূরা আল-মায়িদাহ: ৮)
* “যখন তোমরা মানুষের মাঝে বিচার করবে তখন ইনসাফের ভিত্তিতে সুবিচার করো।” (সূরা নিসা: ৫৮) 

২. হাদিস:
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত: «إنَّ المُقْسِطِينَ عِنْدَ اللهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ: الَّذِينَ يَعْدِلُونَ في حُكْمِهِمْ وأَهْلِيْهِم وَمَا وَلُوْا» (মুসলিমে)।
অন্যান্য: ইনসাফ প্রতিষ্ঠা, এমনকি নিজের বিরুদ্ধে হলেও, এবং আত্মীয়-স্বজন ও ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলের প্রতি সমান আচরণ করা ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বিভিন্ন আয়াত ও হাদিসে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। 

এই আয়াত ও হাদিসগুলো প্রমাণ করে যে ইসলামে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার একটি মৌলিক স্তম্ভ, যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে অপরিহার্য। 

ইনসাফকারীকে আল্লাহ ভালোবাসেন

Allah loves those who are just.

Text
allahisourrabb
allahisourrabb

ইনসাফ কারী কে আল্লাহ ভালোবাসেন

ইনসাফকারী কে আল্লাহ ভালোবাসেন

আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন, অর্থাৎ যারা মানুষের মাঝে, এমনকি নিজেদের বিরুদ্ধে বা প্রিয়জনদের বিরুদ্ধেও সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে, এমনকি কঠিন পরিস্থিতিতেও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখে, তাদের আল্লাহ ভালোবাসেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা ইনসাফ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা হুজুরাত: ৯)। 

ইনসাফকারী হওয়ার কিছু বৈশিষ্ট্য:

  • সুবিচার প্রতিষ্ঠা: মানুষের মধ্যে, বিশেষ করে বিচার বা মীমাংসার ক্ষেত্রে, ইনসাফ (ন্যায়) প্রতিষ্ঠা করা।
  • ন্যায়পরায়ণতা: নিজের পক্ষে বা বিপক্ষে, ধনী বা গরীব সবার সাথে সমান ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ করা।
  • সততা: শত্রু বা প্রতিপক্ষের সাথেও ন্যায় ও ইনসাফ বজায় রাখা, যদিও ঘৃণা বা বিদ্বেষ থাকে।
  • আল্লাহর আনুগত্য: তাকওয়া (আল্লাহভীরুতা) ও সৎকর্মের মাধ্যমে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা, যা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে। 

সংক্ষেপে, যে ব্যক্তি যেকোনো পরিস্থিতিতে, নিজের স্বার্থ বা আবেগ উপেক্ষা করে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ন্যায়বিচার করে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন। 

ইনসাফকারীকে আল্লাহ্‌ ভালোবাসেন

আল্লাহ্ ইনসাফকারীকে ভালোবাসেন; পবিত্র কুরআনের সূরা হুজুরাতের ৯ নম্বর আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “তোমরা ইনসাফ কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা হুজুরাত:৯), যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সকলের প্রতি সমতা ও ইনসাফের সাথে আচরণ করার গুরুত্ব তুলে ধরে। আল্লাহ্ শুধু ইনসাফকেই নয়, তওবা, পবিত্রতা, তাকওয়া (পরহেজগারী), ইহসান (সদাচার), ধৈর্য, আল্লাহর উপর ভরসা, ও সৎকর্মশীলদেরও ভালোবাসেন। 

ইনসাফ বলতে কী বোঝায়?

  • ন্যায়বিচার: যে কোনো পরিস্থিতিতে, বিশেষত বিরোধ মীমাংসার সময়, সত্য ও ন্যায়ের ওপর অটল থাকা এবং কারো প্রতি পক্ষপাতিত্ব না করা।
  • সদাচরণ: কুরআনে বলা হয়েছে, “তোমরা ভালো কাজ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা আল-বাকারা:১৯৫)।
  • সমান আচরণ: বিশ্বাসীদের দুটি দল যুদ্ধে লিপ্ত হলে তাদের মধ্যে ইনসাফের সাথে আপস করিয়ে দেওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। 

আল্লাহ্ আরও যাদের ভালোবাসেন:

  • তওবাকারী (যারা বেশি বেশি তওবা করে): "আল্লাহ্ তাদের ভালোবাসেন, যারা বেশি বেশি তওবা করে" (সূরা আল-বাকারা:২২২)।
  • পবিত্র ও পরিচ্ছন্নতাকারী: "আল্লাহ্ তাদের ভালোবাসেন, যারা নিজেদের পবিত্র রাখে" (সূরা আল-বাকারা:২২২)।
  • পরহেজগার (মুত্তাকি): "নিশ্চয় আল্লাহ্ মুত্তাকিদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-বাকারা:৭:৭৬)।
  • সদাচারী (যারা ভালো কাজ করে): "আর আল্লাহ্ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-বাকারা:১৯৫, সূরা আল-মা-ইদা:৯৩)।
  • আল্লাহর উপর নির্ভরশীল: যারা সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা করে।
  • ধৈর্যশীল: "আর আল্লাহ্ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-ইমরান:১৪৬)। 

সুতরাং, ইনসাফ বা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আল্লাহর ভালোবাসার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এবং এটি তাঁর প্রিয় বান্দাদের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

ইনসাফ সম্পর্কে হাদিস

ইনসাফ (ন্যায়বিচার) সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ আরবি হাদিস হলো: «إنَّ المُقْسِطِينَ عِنْدَ اللهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ: الَّذِينَ يَعْدِلُونَ فِي حُكْمِهِمْ وَأَهْلِيْهِم وَمَا وَلُوْا» (মুসলিমে বর্ণিত), যার অর্থ, “নিশ্চয় ন্যায়বিচারকগণ আল্লাহর কাছে নূরের মিম্বরের উপর থাকবে, যারা তাদের বিচার, পরিবার এবং যা কিছু তাদের অধীনে আছে, সে সব বিষয়ে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে"। এছাড়া, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “إنَّ اللّٰهَ یَاۡمُرُ بِالۡعَدۡلِ وَ الۡاِحۡسَانِ” (নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফ ও সদাচারের নির্দেশ দেন) যা কুরআনের একটি আয়াত এবং ইনসাফের মূল ভিত্তি। 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ আয়াত ও হাদিস:

১. কুরআন:
* "হে ঈমানদারগণ! তোমরা ন্যায়ের সাক্ষ্যদাতা হিসেবে আল্লাহর জন্য দৃঢ়ভাবে দণ্ডায়মান থাক, কোন সম্প্রদায়ের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদেরকে ইনসাফ করা থেকে বিরত না রাখে। ইনসাফ কর, তা তাকওয়ার নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।” (সূরা আল-মায়িদাহ: ৮)
* “যখন তোমরা মানুষের মাঝে বিচার করবে তখন ইনসাফের ভিত্তিতে সুবিচার করো।” (সূরা নিসা: ৫৮) 

২. হাদিস:
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত: «إنَّ المُقْسِطِينَ عِنْدَ اللهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ: الَّذِينَ يَعْدِلُونَ في حُكْمِهِمْ وأَهْلِيْهِم وَمَا وَلُوْا» (মুসলিমে)।
অন্যান্য: ইনসাফ প্রতিষ্ঠা, এমনকি নিজের বিরুদ্ধে হলেও, এবং আত্মীয়-স্বজন ও ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলের প্রতি সমান আচরণ করা ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বিভিন্ন আয়াত ও হাদিসে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। 

এই আয়াত ও হাদিসগুলো প্রমাণ করে যে ইসলামে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার একটি মৌলিক স্তম্ভ, যা ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে অপরিহার্য। 

ইনসাফকারীকে আল্লাহ ভালোবাসেন

Allah loves those who are just.

Text
omgcyberalpacacollector
omgcyberalpacacollector
Text
bwaldorf
bwaldorf

InsaafArooj Aftab

Text
iftegamerx-official-blog
iftegamerx-official-blog

Watch “Do Not Try This !!! 🙏🏼 How I Cheated Amazon” on YouTube

Video
rahmanigroup-official
rahmanigroup-official

🎙️#Allah Rabbul Aalameen #Ka Be Laag Adl O #Insaaf Hone Wala Hai

—Fazeelat Us Shaikh Abdul Azeem Umari Madani ( حفظه الله ) Ustad Jamiya Darussalam Oomerabad

https://youtu.be/eiF-UCzhNoo (at Charminar Masjid Ahle Hadeeth Bangalore)
https://www.instagram.com/p/CBySAkvJLeH/?igshid=j8meu87hs8zx

Photo
24sevenislam
24sevenislam

Adal o Insaaf kerny waly ki Fazeelat | Qari Sohaib Ahmad | 24SevenIslam | Authentic Islamic Lectures
https://youtu.be/eOaw68Unil8
عدل و انصاف کرنے والے کی فضیلت
قاری صہیب احمد

Please Subscribe our Channel

Follow us @ our Facebook Page:
https://www.facebook.com/24SevenIslam

#Justice #Insaaf #AdaloInsaaf #Quran #Sunnah #Reminders #videos #peace #religion #videoReminders #24SevenIslam #oneness #Allah #lifeGoals #purpose #life #RealWealth
https://www.instagram.com/p/CBCLfoOAS-O/?igshid=1ehxi81g2tedw

photo
Photo
bollywoodmemories
bollywoodmemories

Remembering #MukulSAnand on his Death Anniversary (7Sep1997) 🙏🙏
#Agneepath
#KhudaGhawah
#Hum
#Insaaf
#Saltanat
#Aitbaar
#MahaSangram more…
https://www.instagram.com/p/B2GfQkkhih7/?igshid=t0zutx3memhy

photo
Text
vadaafuq
vadaafuq

Insaaf punch!!

Photo
viz3
viz3

An epic vigilante flick “Bhavesh Joshi Superhero”. I am disappointed in myself because it took me so long to watch this movie. The movie has everything… action, sentiments and its totally grounded to reality. It keeps you wanting to watch more.

Insaaf puch 💢🤛. A must watch!!

@vikramadityamotwane
@harshvardhankapoor.fc
@sonamkapoor

#fanart #insaaf #insaafman #bhaveshjoshisuperhero #bhaveshjoshi #fanart #fanboy #indiansuperheroes #superheroes #vigilante #comicart #insaafpunch #phantom (at Technopark, Trivandrum)
https://www.instagram.com/p/Bs7Dr3fBWCD/?utm_source=ig_tumblr_share&igshid=1gy97yzsw5xpn

photo